Translate
#সত্যনারায়নব্রতকথা-satyanarayan bratokotha
Janmastamipuja [musaboni] মুসাবনি রাধাকৃষ্ণ মন্দিরে কৃষ্ণজন্মাষ্টমী পূজা
এ বছরযে ভাবে মন্দিরে পূজা হয়েছিল তারেইএকটি ভিডিও এখানে দেওয়া হোলো ভিডিওটি দেখবেন টুসু(মকর)পরব
অপরাজিতা স্তোত্র aparajita stotra
এই সম্পুর্ন শুনলে অনেক উপকার হয় উপরে যে ভিডিও টি দেওয়া হয়েছে যদি পারবেন তো প্রতিদিন সকালে স্নান করে কমসেকম একবার পাট করবেন অপরাজিতা স্তোত্র টি aparajita stotra এর ফলে আপনি দেখবেন চতুরমুখী আপনার বাড়িতে |
shanti mantra
শান্তি মন্ত্ ওঁ স্বস্তি নো ইন্দ্রো বৃদ্ধশ্রবাঃ।
স্বস্তি নঃ পূষা বিশ্ববেদাঃ।
স্বস্তি নোস্তার্ক্ষ্যো অরিষ্টনেমিঃ।
স্বস্তি নো বৃহস্পতির্দধাতু
ওঁ শান্তিঃ শান্তিঃ শান্তিঃ ।।
ওম শান্তি ওম শান্তি ওম শান্
ওঁ সহনাববতু , সহনৌ ভুনক্তু , সহ বীর্যং করবাবহৈ।
তেজস্বীনাবধীতমস্তু , মা বিদ্বিষাবহৈ ।।
ওঁ শান্তিঃ , ওঁ শান্তিঃ , ওঁ শান্তিঃ।
ওঁ পূর্ণমদঃ পূর্ণমিদং পূর্ণাৎ পূর্ণমুদচ্যতে।
পূর্ণস্য পূর্ণমাদায় পূর্ণমেবাবশিষ্যতে।।
ওঁ শান্তিঃ, ওঁ শান্তিঃ, ওঁ শান্তিঃ।।
ওঁ আপ্যায়ন্তু মমাঙ্গানি বাক্-প্রাণশ্চক্ষুঃ
শোত্রমথবলমিন্দ্রিয়ানি চ সর্বাণি।
সর্বং ব্রহ্মৌপনিষদং। মা অহং ব্রহ্ম
নিরাকুর্যাং, মা মা নিরাকরোৎ অনিরাকরণম্ অস্তু অনিরাকরণং মে অস্তু
তদাত্মনি নিরতে য উপনিষৎসু ধর্মাস্তে
ময়ি সন্তু তে ময়ি সন্তু।
ওঁ শান্তিঃ শান্তিঃ শান্তিঃ ।।
ওঁ বাঙ্মে মনসি প্রতিষ্ঠাতা
মনো মে বাচি প্রতিষ্ঠিতম্, আবিরাবীর্ম এধি।
বেদস্য ম আণীস্থঃ, শ্রুতং মে মা প্রহাসীঃ, অনেন অধীতেন অহোরাত্রান্
সংদধামি, ঋতং বদিষ্যামি, সত্যং বদিষ্যামি, তৎ মাম্ অবতু
তৎবক্তারম্ অবতু, অবতু মাম্, অবতু বক্তারম্ অবতু বক্তারম্।
ওঁ শান্তিঃ শান্তিঃ শান্তিঃ ।।
ওঁ শং নো মিত্রঃ শং বরুণঃ।
শং নো ভবত্বর্যমা।
শং নো ইন্দ্রো বৃহস্পতিঃ।
শং নো বিষ্ণুরুরুক্রমঃ।
নমো ব্রহ্মণে।
নমোস্তে বায়ো।
ত্বমেব প্রত্যক্ষং ব্রহ্মাসি।।
ত্বমেব প্রত্যক্ষং ব্রহ্ম বদিষ্যামি।
ঋতং বদিষ্যামি।
সত্যং বদিষ্যামি। তন্মামবতু।
তদ্বক্তারমবতু।
অবতু মাম।
অবতু বক্তারম।
ওঁ শান্তিঃ শান্তিঃ শান্তিঃ ।।
ওঁ শং নো মিত্রঃ শং বরুণঃ।
শং নো ভবত্বর্যমা।
শং নো ইন্দ্রো বৃহস্পতিঃ।
শং নো বিষ্ণুরুরুক্রমঃ।
নমো ব্রহ্মণে।
নমোস্তে বায়ো।
ত্বমেব প্রত্যক্ষং ব্রহ্মাসি।।
ত্বমেব প্রত্যক্ষং ব্রহ্ম বদিষ্যামি।
ঋতং বদিষ্যামি।
সত্যং বদিষ্যামি। তন্মামবতু।
তদ্বক্তারমবতু।
অবতু মাম।
অবতু বক্তারম।
ওঁ শান্তিঃ শান্তিঃ শান্তিঃ ।।
দেবীদেবতার ধ্যান ও প্রণাম মন্ত্র-
বিভিন্য দেবীদেবতার ধ্যান ও প্রণাম মন্ত্র -
পবিত্র করন মন্ত্র-
যঃ স্মরেৎ পুণ্ডরীকাক্ষং স বাহ্যাভ্যন্তরঃ শুচিঃ।।
গঙ্গাদীসর্ব তীর্থ আবাহন
পুষ্প শুদ্ধি:
পুষ্পে পুষ্পে মহা পুষ্পে সুপুষ্পে পুস্পসম্ভবে
পুষ্প চায়ার কীর্ণে চ হুং ফট স্বাহা।।
আসন শুদ্ধি মন্ত্র :
তৎপরে আসন ধরিয়া পাঠ করিবে, - আসনমন্ত্রস্য মেরুপৃষ্ঠঋষিঃ সুতলং ছন্দঃ কুর্ম্মো দেবতা আসনে উপবেশনে বিনিয়োগঃ।
অনন্তর হাত জোড় করিয়া পাঠ করিবে, - ওঁ পৃথ্বি ত্বয়া ধৃতা লোকা দেবি ত্ত্বং বিষ্ণুনা ধৃতা। ত্বঞ্চ ধারয় মাং নিত্যং পবিত্রং কুরু চাসনম্।
স্বস্তিবাচন:
ওঁ স্বস্তি ন ইন্দ্রো বৃদ্ধশ্রবাঃ স্বস্ত্যি নঃ পূষা বিশ্ববেদাঃ। স্বস্তি ন স্তার্ক্ষ্যো অরিষ্টনেমিঃ স্বস্তি নো বৃহস্পতির্দধাতু।। ওঁ গণানাং ত্বা গণপতিগুং হবামহে, ওঁ প্রিয়াণাং ত্বা প্রিয়পতিগুং হবামহে, ওঁ নিধীনাং ত্বা নিধিপতিগুং হবামহে, বসো মম। ওঁ স্বস্তি ওঁ স্বস্তি ওঁ স্বস্তি।।
তারপর একে একে গণেশ, শ্রীগুরু, শিব, সূর্য, নারায়ণ, দুর্গা, নবগ্রহ, দশমহাবিদ্যা, দশাবতার, সর্বদেবদেবী ও আপনার ঠাকুরের আসনে অন্যান্য ঠাকুরদেবতা থাকলে তাঁদেরকে এবং আপনার ইষ্টদেবতাকে প্রত্যেককে একটি করে সচন্দন ফুল দিয়ে পূজা করবেন।
.গণেশের ধ্যান
দন্তাঘাত বিদারিতারিরুধিরৈঃ সিন্দুরশোভাকরং , বন্দেশৈল সুতাসুতং গণপতিং সিদ্ধিপ্রদ কামদম্ ।।
গনেশের প্রনামঃ
ঔঁ একদন্ত মহাকায় লম্বোদর গজানন।
বিঘ্ননাশকরং দেব হেরম্বং প্রণমাম্যহম্।
ওঁ সর্ব্ববিঘ্ন বিনাশয় সর্ব্বকল্যান হেতবে ।পার্ব্বতী প্রিয় পুত্রায় গনেশায় নমো নমঃ।।
.পুষ্পাঞ্জলি মন্ত্র
ওঁ আয়ুর্দ্দেহি যশো দেহি শ্রীয়ং দেহি তমেবচ্।
পুত্রং পৌত্রং প্রপৌতঞ্চ দেহিমে গননায়ক।। এতৎ্সচন্দনপুস্পং পুস্পাঞ্জলি সমরপয়ামি গাং গনেশায় নম্।।
গুরু প্রনামঃ
ঔঁ অখণ্ডমণ্ডালাকারং ব্যাপ্তং যেন চরাচরম্।
তৎপদং দশি‘তং যেন তস্মৈ শ্রীগুরুবে নমঃ।।১
অঞ্জানতিমিরান্ধস্য ঞ্জানাঞ্জন শলাকায়া।
চক্ষু রুল্মীলিতং যেন তস্মৈ শ্রীগুরুবে নমঃ।।২.
গুরু ব্রক্ষা গুরু বিষ্ণু গুরুদেবো মহেশ্বরঃ।
গুরুঃ সাক্ষাৎ পরং ব্রক্ষ তস্মৈ শ্রীগুরুবে নমঃ।।৩
শিবের ধ্যান-
নাগং পাশং চ ঘণ্টাং বরডমরুয়ুতং চাঙ্কুশং বামভাগে
নানালঙ্কারয়ুক্তং স্ফটিকমণিনিভং পার্বতীশং ভজামি॥১
বন্দে দেবমুমাপতিং সুরগুরুং বন্দে জগত্কারণং
বন্দে পন্নগভূষণং মৃগধরং বন্দে পশূনাম্পতিম্।
বন্দে সূর্যশশাঙ্কবহ্নিনয়নং বন্দে মুকুন্দপ্রিয়ং
বন্দে ভক্তজনাশ্রয়ং চ বরদং বন্দে শিবং শঙ্করম্॥২
ব্যালং বক্ষসি চানলঞ্চ নয়নে শূলং কপালং করে।
বামাঙ্গে দধতং নমামি সততং প্ৰালেয়শৈলাত্মজাং
ভক্তক্লশহরং হরং স্মরহরং কাপুর গৌরং পরম ॥৩
ধ্যায়েন্নিত্যং মহেশং রজতগিরি-নিভং চারুচন্দ্ৰাবতংসং
রত্নাকল্পোজ্জলাঙ্গং পরশুমৃগবরাভীতিহস্তং প্ৰসন্নম।
পদ্মাসীনং সমস্তাৎস্তুতমমর-গণৈর্ব্যাস্ত্ৰকৃত্তিং বসনং
বিশ্বাস্থ্যং বিশ্ব-বীজং নিখিলভয়হরং পঞ্চবক্তং ত্ৰিনেত্ৰম ॥ ৪
শিবের প্রনাম মন্ত্রঃ
ওঁ নমস্তভ্যঃ বিরূপাক্ষ নমস্তে দিব্যচক্ষুসে নমঃ ।
পিণাকহস্তায় বজ্রহস্তায় বৈ নমঃ ।।
নমত্রিশূলহস্তায় দন্ড পাশাংসিপাণয়ে ।
নমঃ স্ত্রৈলোক্যনাথায় ভূতানাং পতয়ে নমঃ ।।
ওঁ বানেশ্বরায় নরকার্ণবতারনায় , জ্ঞানপ্রদায় করুণাময়সাগরায় ।
কর্পূরকুন্ডবলেন্দুজটাধরায় , দারিদ্রদুঃখদহনায় নমঃ শিবায় ।।
ওঁ নমঃ শিবায় শান্তায় কারণত্রয়হেতবে ।
নিবেদয়ানি চাত্মানংত্তৃংগতিপরমেশ্বরঃ ।।
.
দূর্গা প্রণামঃ
ওঁ জয়ন্তি,মঙ্গলা, কালী,ভদ্রকালী,কপালিনী।
দূর্গা,শিবা,ক্ষমা,ধাত্রি,স্বাহা স্বধা নমোহস্তুতে।।
.
.
সূর্যপ্রণাম:
ওঁ জবাকুসুমসঙ্কাশং কাশ্যপেয়ং মহাদ্যুতিম্।
ধ্বান্তারিং সর্বপাপঘ্নং প্রণতোঽস্মি দিবাকরম্।।
নারায়ণের স্নান:
ধ্যানান্তে নিম্নোক্ত মন্ত্রে ঘণ্টা বাজাইতে বাজাইতে স্নান করাইবে—
ওঁ সহস্রশীর্ষা পুরুষঃ সহস্রাক্ষ সহস্রপাৎ।
স ভূমিং সর্বতঃ স্পৃত্বা অত্যত্তিষ্ঠদ্দশাঙ্গুলাম্।।
ওঁ নারায়ণায় বিদ্মহে বাসুদেবায় ধীমহি তন্নো বিষ্ণুঃ প্রচোদয়াৎ ওঁ।।
স্নানান্তে ‘ওঁ নমস্তে বহুরূপায় বিষ্ণবে পরমাত্মনে স্বাহা’ মন্ত্রে দুইটি তুলসীপত্র ৺নারায়ণের উপরে ও নীচে দিবেন।
নারায়ণের ধ্যান:
কূর্মমুদ্রায় পুষ্প লইয়া পূর্ববৎ ধ্যান করিবে—
ওঁ ধ্যেয়ঃ সদা সবিতৃমণ্ডলমধ্যবর্তী নারায়ণঃ সরসিজাসনসন্নিবিষ্টঃ।
কেয়ূরবান্ কনককুণ্ডলবান্ কিরীটীহারী হিরণ্ময়বপুর্ধৃতশঙ্খচক্রঃ।।
পঞ্চপচারে নারায়ণ পূজা :
ওঁ নমো নারায়ণায় এষ গন্ধঃ নারায়ণায় নমঃ।
ওঁ নমো নারায়ণায় ইদং সচন্দনপুষ্পং নারায়ণায় নমঃ।
ওঁ নমো নারায়ণায় ইদং সচন্দনতুলসীপত্রং ওঁ নমস্তে বহুরূপায় বিষ্ণবে পরমাত্মনে স্বাহা নারায়ণায় নমঃ।
ওঁ নমো নারায়ণায় এষ ধূপঃ নারায়ণায় নমঃ।
ওঁ নমো নারায়ণায় এষ দীপঃ নারায়ণায় নমঃ।
ওঁ নমো নারায়ণায় ইদং নৈবেদ্যং নারায়ণায় নমঃ।
.
নারায়ণের প্রনামঃ
নম ব্রহ্মণ্য দেবায় গো ব্রহ্মণ্য হিতায় চ।
জগদ্ধিতায় শ্রীকৃষ্ণায় গোবিন্দায় নমো নমঃ ।।
শান্তিং কুরু গদাপাণে নারায়ণ নমোঽস্তু তে।।
নম ব্রহ্মণ্য দেবায় গো ব্রহ্মণ্য হিতায় চ।
জগদ্ধিতায় শ্রীকৃষ্ণায় গোবিন্দায় নমো নমঃ
.
লক্ষ্মীদেবীর ধ্যান মন্ত্র:
ওঁ পাশাক্ষমালিকাম্ভোজ সৃণিভির্যাম্য সৌম্যয়োঃ।
পদ্মাসনাস্থাং ধায়েচ্চ শ্রীয়ং ত্রৈলোক্য মাতরং।।
গৌরবর্ণাং স্বরূপাঞ্চ সর্বালঙ্কারভূষিতাম্।
রৌক্নোপদ্মব্যগ্রকরাং বরদাং দক্ষিণেন তু।।
লক্ষ্মীদেবীরপ্রনামঃ
সর্বতঃ পাহি মাং দেবী মহালক্ষ্মী নমোহস্তু তে।।.
শ্রীশ্রীলক্ষ্মী স্তোত্রম্ঃ
ত্রৈলোক্য পূজিতে দেবী কমলে বিষ্ণুবল্লভে।
যথাস্তং সুস্থিরা কৃষ্ণে তথা ভবময়ি স্থিরা।।
ঈশ্বরী কমলা লক্ষ্মীশ্চলা ভূতি হরিপ্রিয়া।
পদ্মা পদ্মালয়া সম্পদ সৃষ্টি শ্রীপদ্মধারিণী।।
দ্বাদশৈতানি নামানি লক্ষ্মীং সম্পূজ্য যঃ পঠেত।
স্থিরা লক্ষ্মীর্ভবেৎ তস্য পুত্রদারারদিভিংসহ।।
পুষ্পাঞ্জলি মন্ত্র:
নমস্তে সর্বদেবানাং বরদাসি হরিপ্রিয়ে।
যা গতিস্তং প্রপন্নানাং সা মে ভূয়াত্বদর্চবাৎ।।
শ্রীশ্রীলক্ষ্মীদেবীর প্রণাম মন্ত্র
ওঁ বিশ্বরূপস্য ভার্যাসি পদ্মে পদ্মালয়ে শুভে।
সর্বতঃ পাহি মাং দেবী মহালক্ষ্মী নমোহস্তু তে।।
চরণামৃত লওয়ার মন্ত্র-
ওঁ অকাল-মৃত্যু-হরণং সর্ব্ব ব্যাধি-বিনাশনং ।কৃষ্ণ পাদোদকং পীত্বা শিরসা ধারয়াম্যহং ।
ইশ্বর ভগবান দেবতা এরাসকলে এক নয়-
kabita
#ব্লগ থেকে টাকা উপার্জন করুন earn many from blog
ব্লগকে বিভিন্ন উপায়ে মনিটাইজ করা যেতে পারে। আপনার ব্লগ থেকে টাকা উপার্জনের জন্য অনলাইন উপার্জন সংক্রান্ত বিভিন্ন মডেল এবং সেরা পদ্ধতিগুলি দেখুন।আপনার যদি কোনও ব্লগ বা সাইট থাকে – বা এইরকম কিছু শুরু করার কথা ভেবে থাকেন – তাহলে জেনে রাখুন যে আপনার কাছে এখনও উপার্জন করার সুবিধা আছে। ব্লগকে বিভিন্ন উপায়ে মনিটাইজ করা যেতে পারে। এই নিবন্ধে অনলাইনে উপার্জন সংক্রান্ত বিভিন্ন মডেল এবং ডিজিটাল কন্টেন্ট মনিটাইজ করার সেরা পদ্ধতিগুলির কথা বলা আছে।প্রাথমিক বিষয় দিয়ে শুরু করুন। মনিটাইজেশন কী? সহজভাবে বলতে গেলে মনিটাইজেশনের অর্থ হল আপনার সাইট থেকে টাকা উপার্জন করা। আপনি নিজের ব্লগে অনলাইন কন্টেন্ট থেকে উপার্জন করলে সেটিকে মনিটাইজেশন বলা হবে।আপনার ব্লগ থেকে টাকা উপার্জন শুরু করার জন্য, এখানে বেশ কিছু অনলাইন ব্যবসায়িক মডেল আছে:
বিজ্ঞাপন
- অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং
- সরাসরি বা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রোডাক্টের অফার
- সাবস্ক্রিপশন
- কোচিং
কীভাবে আপনি নিজের এবং আপনার ব্লগের জন্য এই কাজগুলি করতে পারেন? মনিটাইজেশনের প্রতিটি মডেলকে খুব ভাল করে বুঝে নেওয়া যাক।
বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে মনিটাইজেশন: টাকা উপার্জনের জন্য আপনার ব্লগে বিজ্ঞাপন দিন
একজন ব্লগের প্রকাশক হিসেবে, আপনার অনলাইন কন্টেন্টে বিজ্ঞাপন যোগ করলে সহজে টাকা পেতে পারবেন। বিজ্ঞাপনদাতারা আপনার অডিয়েন্সের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য পেমেন্ট করতে ইচ্ছুক। ঠিক একইভাবে বেশিমাত্রায় সার্কুলেট হওয়া সংবাদপত্রিকা বিজ্ঞাপনদাতাদের আরও বেশি চার্জ করতে পারে, আপনার সাইট এবং কন্টেন্ট যত বেশি জনপ্রিয় আপনি তত বেশি উপার্জন করতে পারবেন।
আপনার কন্টেন্টের সাথে যেসমস্ত ব্যবসার বিজ্ঞাপন আপনি দেখাতে চান সেগুলির জন্য আপনি বিজ্ঞাপন দেখানোর স্লট অফার করতে পারেন। এটিকে সরাসরি ডিল বলা হয়। আপনার হয়ে বিজ্ঞাপন দেখানোর স্লট বিক্রি করার জন্য Google AdSense-এর মতো বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্কের ব্যবহারও আপনি করতে পারেন।
আপনার ব্লগের নির্দিষ্ট পৃষ্ঠায় উপস্থিত কন্টেন্টের সাথে প্রাসঙ্গিক বিজ্ঞাপন দেখানোর বিষয়ে AdSense সাহায্য করে। যেমন- আপনার ব্লগটি অ্যাডভেঞ্চার ভ্রমণের বিষয়ে থাকলে এবং Rekyavik-এ ভ্রমণ সংক্রান্ত কোনও পোস্ট এইমাত্র আপলোড করে থাকলে, AdSense আপনাকে হয়ত ভ্রমণ সংক্রান্ত বীমা, আইসল্যান্ড বা উষ্ণ পোশাক সম্পর্কে কোনও বিজ্ঞাপন দেখাবে। যেখানে বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে সেই সাইটের মালিক হিসেবে, কোনও ব্যবহারকারী যখন কোনও বিজ্ঞাপন দেখেন বা যোগাযোগ করেন তখন AdSense আপনাকে পেমেন্ট করে।
অনলাইন বিজ্ঞাপনগুলিকে আপনার ব্লগের কন্টেন্ট এবং পাঠকদের জন্য প্রাসঙ্গিক করে তোলার দক্ষতা সহ, অনেক বিজ্ঞাপনদাতারা আপনার বিজ্ঞাপনের স্লটের জন্য একটি প্রিমিয়াম মূল্য দিতে আগ্রহী।
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং: প্রোডাক্টের সুপারিশ করে টাকা উপার্জন করুন
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হল আপনি যখন অন্য কোনও সাইটে বিক্রয়ের জন্য কোনও প্রোডাক্ট বা পরিষেবাতে আপনার কন্টেন্টে কোনও লিঙ্ক অন্তর্ভুক্ত করেন। এটি কীভাবে কাজ করে তা এখানে রয়েছে: যখন কেউ আপনার সাইটে লিঙ্কটি ক্লিক করে, অ্যাফিলিয়েট সাইটে যায় এবং আপনার অনুমোদন করা প্রোডাক্ট কেনার জন্য প্রসেস করা হয়, আপনি বিক্রয়ের উপর কমিশন পান।
প্রোডাক্টের সাজেশনে আগ্রহী এমন নিযুক্ত দর্শক সহ ব্লগের জন্য, এটি একটি কার্যকরী উপার্জনের মডেল হতে পারে। তথ্য সংক্রান্ত, কীভাবে এবং লাইফস্টাইল সংক্রান্ত নিবন্ধগুলি অ্যাফিলিয়েট প্রোডাক্ট প্রচারের জন্য প্রচুর সুযোগ দেয়।
অ্যাডভেঞ্চার ট্রাভেল ব্লগটিকেই আবার উদাহরণ হিসেবে নেওয়া যেতে পারে, ধরুন আপনি সাঁতার কাটার দুর্দান্ত লোকেশন সম্পর্কে পোস্ট করেছেন। গিয়ার সাজেস্ট করতে আপনি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ব্যবহার করতে পারেন – যেমন সুইমসুট, তোয়ালে এবং চশমা - যা আপনি আপনার ভ্রমণের জন্য প্যাক করেছেন। ব্লগের কোনও পাঠক আপনার সাজেস্ট করা সুইমসুট লিঙ্কে ক্লিক করে সেটি কিনলে, ব্লগ থেকে আপনি উপার্জন করবেন।
আপনার দর্শকদের বিশ্বাস বজায় রাখতে, গ্রাহকের সাথে আপনার সম্পর্কে স্বচ্ছতা বজায় রাখার চেষ্টা করুন। অনেক দেশে গ্রাহকের সাথে আপনার সম্পর্ক প্রকাশ করার জন্য আইনত বাধ্যবাধকতা আছে, সুতরাং অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ে যুক্ত হওয়ার আগে আইনি পরামর্শ নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে নিন। এছাড়াও আপনার ব্লগের খ্যাতি আপনার প্রোডাক্ট বা প্রচার করা পরিষেবার সাথে সম্পর্কযুক্ত, সুতরাং আপনার অ্যাফিলিয়েট পার্টনার বেছে নেওয়ার সময় কোয়ালিটির বিষয়টি মনে রাখুন।
সরাসরি বা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রোডাক্টের অফার: আপনার ব্লগ থেকে টাকা উপার্জন করতে জিনিস বিক্রি করুন
নিজেদের ব্লগ থেকে আয় করার জন্য এখন অনেক ব্লগার অনলাইন স্টোরের মাধ্যমে নিজেদের প্রোডাক্ট বিক্রির জন্য একটি ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম তৈরি করার চেষ্টা করছেন। আপনার প্রোডাক্ট ফিজিক্যাল বা ডিজিটাল হতে পারে। অ্যাডভেঞ্চার ট্রাভেল ব্লগের উদাহরণে, আপনার লোগো প্রদর্শিত টি-শার্ট বা বিদেশী গন্তব্যের জন্য ডিজিটাল গাইডবুক বিক্রি করতে পারেন।
আপনার প্রোডাক্ট ফিজিক্যাল বা ভার্চুয়াল যাই হোক না কেন, পেমেন্ট গ্রহণের জন্য আপনাকে সিস্টেম সেট করতে হবে। ফিজিক্যাল প্রোডাক্ট বিক্রি করার সময় আপনাকে যে বিষয়গুলি মাথায় রাখতে হবে তা হল- স্টক স্টোর করা, শিপিং অর্গানাইজ করা এবং কর ও শুল্ক ম্যানেজ করা। ডিজিটাল প্রোডাক্ট লজিস্টিক্যালি কম জটিল কারণ সেগুলি অনলাইনে ডেলিভার করা যেতে পারে।
সাবস্ক্রিপশন: আয়ের নতুন স্ট্রিম যোগ করার জন্য সাধারণ ফি চার্জ করুন
যদি আপনার ব্লগের কোনও অ্যাক্টিভ কমিউনিটি থাকে যারা আপনার বিষয় সম্পর্কে আরও জানতে আগ্রহী, সেইক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদে উপার্জনের জন্য পেড মেম্বারশিপ বা সাবস্ক্রিপশন মডেল হল আপনার মূল্যবান কন্টেন্ট ব্যবহারের অন্যতম উপায়।
এই ধরনের ব্যবসায়িক মডেলে, পাঠকরা নিয়মিতভাবে, মাসিক বা বার্ষিক ভিত্তিতে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা পেমেন্ট করে। এইভাবে পাঠকদের কাছ থেকে মেম্বারশিপ বা সাবস্ক্রিপশন ফি সংগ্রহ করে, আপনি বার বার আয় করতে পারেন। এই ধরনের অনবরত ক্যাশ ফ্লো আরও স্থিতিশীল, অনুমানযোগ্য এবং সঠিক উপার্জনের স্ট্রিমের সম্ভাবনা অফার করে।
বিনিময়ে, আপনি সাবস্ক্রাইবার বা মেম্বার প্রিমিয়াম কন্টেন্ট, কমিউনিটি এরিয়া, শেখার সংস্থান, ভিডিও বা অতিরিক্ত পরিষেবা এবং টুল সরবরাহ করতে পারেন। আপনার ব্লগের সাথে মানানসই হবে এমন বিভিন্ন ধরনের বেশ কিছু এলিমেন্ট একত্রিত করতে পারেন।
কোচিং: ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে ব্লগকে মনিটাইজ করুন
আপনি ব্লগের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ পরিষেবা অফার করলে অনলাইন কোর্স বা কোচিং প্যাকেজ সেট-আপ করে তাতে চার্জ বসিয়ে টাকা উপার্জন করতে পারেন।
আপনি যখন ভিডিও বা ডাউনলোড করা যাবে এমন ইবুকের মতো স্ব-নির্দেশিত শিক্ষামূলক উপকরণ তৈরি করেন, তখন আপনি আপনার অডিয়েন্সদের মধ্যে যারা মেম্বার তাদের নিজের মতো করে এগিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেন। ব্যক্তিরা আপনার কোর্স করা চালিয়ে গেলে, তাদের অন্যান্য বিষয়ে আগ্রহের সম্পর্কে আপনি জানতে পারেন।
একটি অনলাইন পাঠ্যক্রম ডেভেলপ করতে আগে থেকেই যথেষ্ট সময় এবং সংস্থান প্রয়োজন হতে পারে, সুতরাং এটি কার্যকর করতে আপনার এই বিষয়ের সাথে যুক্ত অডিয়েন্সের দরকার হবে।
আয় বাড়ানোর আর একটি বিকল্প হল লাইভ ভিডিও কোচিং অফার করা এবং আপনি সময় দিচ্ছেন বলে আপনাকে টাকা দেওয়া হবে।
আপনার অফারটি অনলাইন কোর্স বা অন-ডিমান্ড কোচিং যার উপরেই ভিত্তি করে হোক না কেন, আপনি ইমেলের মাধ্যমে বা আপনার ব্লগের মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে কথোপকথন করার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন।
মনে রাখবেন যে, আপনার ব্লগ থেকে টাকা উপার্জন করার বিভিন্ন উপায় আছে। আপনি একটি ব্লগ মনিটাইজেশনের পদ্ধতি ভালভাবে শিখে নিতে পারেন বা আপনার ব্যবসাতে কোনটি সবথেকে ভাল কাজ করে তা জানার জন্য উপার্জনের বিভিন্ন স্ট্রিম ম্যাচ করতে পারেন। অনলাইন মনিটাইজেশনের সম্পর্কে আরও কিছু জানার বিষয়ে আগ্রহ থাকলে
বেদজ্ঞান
বেদ বিশয়ে বিশেষ জ্ঞান --
বেদ-জ্ঞান:-
পঞ্চ মহাযজ্ঞ
ভগবান-শিবের '৩৫' রহস্য!
এটি পড়ে যদি আপনারা উপকৃত হয়ে থাকেন তাহলে দয়া করে সমস্ত পাঠকদের জন্য লেখাটি শেয়ার করবেন।
অপরাজিতা স্তোত্র-
এই স্তোত্রটি সকলের পাঠ করা কিম্বা শ্রবন করা উচিৎ তাহলেই আপনার চতুর্দিক থেকে মঙ্গল হবে এটা পরিক্ষিত একটি স্তোত্র এতে কোন সন্দেহ নাই।
Geetagayan
মনের অবস্থা, স্থিতপ্রজ্ঞ ও ব্রাহ্মীস্থিতিঃ
দুঃখেষ্বনুদ্বিগ্নমনাঃ সুখেষু বিগতস্পৃহঃ।
বীতরাগভয়ক্রোধঃ স্থিতধীর্মুনিরুচ্যতে।।
অর্থাৎ, দুঃখ উপস্থিত হলেও যার মন উদ্ধিগ্ন হয় না, সুখ উপস্থিত হলেও যার একটুও স্পৃহা উৎপন্ন হয় না।যিনি রাগ, ক্রোধ ও ভয় থেকে মুক্ত তিনিই স্থিতপ্রজ্ঞ।
স্থিতপ্রজ্ঞ মহাপুরুষ তো সেই হয়,যার মন একদম স্থির ও শান্ত থাকে। এই মনের স্থিরতার ফলে মানুষ পরমানন্দ অনুভব করে। কিন্তু মানুষের মন বায়ুর ন্যায় সদা চঞ্চল।এই মন কিছুক্ষণের জন্য একটা বিষয়ের দিকে ধাবিত হওয়ার পর, পরক্ষণেই আবার অন্য বস্তুর দিকে ধাবিত হয়।বস্তুত মনের এই অস্থিরতার কারণেই, মানুষ সুখ-দুঃখ ও সদা তৃষ্ণা অনুভব করে।যার ফলে মানুষ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। তাই এই অস্থির মনকে বশিভূত করা আবশ্যক।
আত্মার সারথি যেমন এই দেহ, তেমনি এই মন দেহের সারথি স্বরূপ। এই মন'ই তো দেহ ও দেহে অবস্থিত ইন্দ্রিয় সকলকে পরিচালিত করে।তাইতো গীতায় ভগবান শ্রীকৃষ্ণ, মনকে ইন্দ্রিয় সকলের শ্রেষ্ঠ বলেছেন। এই মন দেহে অবস্থিত থেকেও অদৃশ্য, কিন্তু দেহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজটিই করে থাকে। এই মনের সাহায্যেই তো মানুষ জন্ম-মৃত্যুর চক্র থেকে মুক্ত হয়ে থাকে।
কিন্তু, দুঃখের বিষয় এই যে,এই মন জীবদের মায়া ও মোহের অন্ধকারে সদা নিমজ্জিত করে রাখে।জীবদের অজ্ঞানতার কারণে মৃত্যু অবধি এই মন নানা দিকে ধাবিত করতে থাকে।কিন্তু, যিনি জ্ঞানী তিনি অবশ্যই মনকে নিজের অধীনে রাখার চেষ্টা করে।এইরকম মহাত্মারা নিজের মন দ্বারা হৃদয়ে অবস্থিত সেই আত্মা ও আত্মার মধ্যে সেই পরমাত্মার প্রত্যক্ষ দর্শন করে থাকেন।
মানুষের মন নিয়ন্ত্রণে না থাকার ফলে, মন সবসময় ইন্দ্রিয় আসক্তিতে মত্তে থাকে।যার ফলস্বরূপ মানুষ জড় বিষয়ের প্রতি সদা আকর্ষিত থাকে।কিন্তু, যার মন নিজ আত্মাতে একদম স্থির হয়ে গিয়েছে,সে মন জীবাত্মার আদেশ পালন করা শুরু করে দেয়।তখন তার কাছে ভোগ্য জড় বিষয়সমূহ বিষস্বরূপ মনে হয়।এই বিষয়ের প্রতি বৈরাগী মন'ই তাকে একসময় পরমাত্মার চরণে নিয়ে যায়।এর অর্থ এই যে-"মনের অধীনে নিজেকে রাখলে এই মন মায়া-মোহের অন্ধকারে মানুষকে ডুবিয়ে রাখবে, যদি এই মনকে নিজের অধীনে রাখা যায়,তবে এই মন মানুষকে মোক্ষের দরজায় নিয়ে যাবে।"
মনকে নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ গীতায় বলেছেন,
অসংশয়ং মহাবাহো মনো দুর্নিগ্রহং চলম্।
অভ্যাসেন তু কৌন্তেয় বৈরাগ্যেণ চ গৃহ্যতে।।
অর্থাৎ, হে মহাবাহো! মন যে দূর্দমনীয় ও চঞ্চল তাতে কোনো সন্দেহ নেই।কিন্তু হে কৌন্তেয়, ক্রমশ অভ্যাস ও বৈরাগ্যের দ্বারা মনকে বশ করা যায়।[৬/৩৫]
অভ্যাস অর্থাৎ, নিরন্তর অভ্যাস।মন এইদিক ঐদিক ঘুরাঘুরি সত্ত্বেও বারবার নিজের আত্মাতে স্থির করতে হবে।যেমন, একটি পাগলা ঘোড়া এইদিক -ঐদিক ছোটাছুটি করে, তেমনিও মন পাগলা ঘোড়ার মতো এইদিক-ঐদিকে ঘুরাঘুরি করে।কিন্তু, কোনো মানুষ যখন ঐ পাগলা ঘোড়ার পিঠে উঠতে চাইলে, প্রথমে মানুষটিকে বারবার আঘাত পেতে হবে।যদি মানুষটি নিষ্ঠাবান হয়, তবে একসময় আঘাত পেতে পেতে মানুষটি ঘোড়ার পিঠে আসীন হয়ে যাবে।একবার পিঠের উপর আসীন হতে পারলেই, ঘোড়াটি তখন চালকের নিয়ন্ত্রণের রশির কারণে চালকের আজ্ঞা পালন করা শুরু করবে।তেমনি মনকে একবার নিয়ন্ত্রণে আনতে পারলেই, সে মন আপনাতেই জীবাত্মার আদেশ পালন করা শুরু করবে।কিন্তু, অনেক সময় মন নিয়ন্ত্রণে আসার পরও, ইন্দ্রিয়সকলের বিষয়াসক্তির কারণে মন আবার ভূল পথে চলে যেতে পারে।
তাই মনকে বারবার স্মরণ করানো উচিত যে, এই ভোগ,কাম,লালসা সব মিথ্যা।তখন, মানুষের মধ্য থেকে এইসব বিষয়ের প্রতি মোহ নষ্ট হয়ে, বৈরাগ্য উৎপন্ন হবে।আর তখনিই মানুষ মন থেকে সন্ন্যাসী হয়ে উঠে। তখন সেই মহাত্মার মন আত্মনিষ্ঠ হয়ে আত্মাতে স্থির হয়ে যায়।এই আত্মনিষ্ঠার ফলে যোগীর মনে তখন বাসনার লেশমাত্র থাকে না। ফলে যোগীর মনে থাকা সমস্ত কামনা একেবারে মরে যায়।তখন সেই যোগীর মন নিরাসক্ত হয়ে যায়। যার ফলে যোগীর বুদ্ধিও স্থির হয়ে যায়। দর্শন, শ্রবণ,স্পর্শ, ঘ্রাণ, ভোজন,গমন, নিদ্রা ও নিশ্বাস আদি ক্রিয়া করেও সেই যোগী ব্যক্তি জানেন যে,তিনি কিছুই করছেন না।কারণ জড় ইন্দ্রিয়গুলিই কেবল ইন্দ্রিয়ের বিষয়ে প্রবৃত্ত হচ্ছে। এইরকম মহাপুরুষ ইন্দ্রিয়সকলকে নিরাসক্ত হয়েই উপভোগ করে।এইরকম যোগীদের শাস্ত্র 'নরোত্তম' বলে সম্বোধন করে।
এইরকম স্থিতপ্রজ্ঞতাকে নিষ্কাম কর্মযোগের চরম অবস্থা বুঝায়।এইরকম পুরুষ সমবুদ্ধি অর্থাৎ জয়-পরাজয়, লাভ-হানীর কথা না ভেবে যোগ দ্বারা পরমাত্মায় আস্থা রেখে কাজ করে যায়,একে সমত্বযোগও বলা হয়ে থাকে।সেই মহাপুরুষ জানেন যে, সৃষ্টিকর্তা তার সাথে সবসময় রয়েছেন। তাই তিনি সৃষ্টিকর্তা ব্যতীত অন্য কাউকে ভয় পান না।এইরকম মহাত্মা, না সুখের সময় অতিরিক্ত খুশী হন,না দুঃখে অতিরিক্ত শোক করেন! এইসব মহাত্মাদের ইন্দ্রিয় সকল কচ্ছপের অঙ্গ সমূহের ন্যায় সর্বদা সঙ্কুচিত থাকে।কারণ, ইন্দ্রিয় সকলের বাসনা এতটাই প্রবল থাকে যে,একজন স্থির মানুষের প্রজ্ঞাও হরণ করে নিতে পারে।তাই স্থিতপ্রজ্ঞ মহাপুরুষেরা সবসময় বিষ সমান বিষয়সমূহকে নিগ্রহ করে চলে।কারণ, তাদের কাছে এইসব বিষয়সমূহ রাত্রিস্বরূপ মনে হয়।বায়ুরহিত স্থানে যেমন প্রদীপ স্থির থাকে,তেমনি স্থিতপ্রজ্ঞ ব্যক্তির প্রজ্ঞাও সেইরূপ স্থির থাকে।যার কারণে, এইসব বিষয়সমূহ এইরকম স্থিতপ্রজ্ঞ ব্যক্তির সামনেও যদি থাকে, তাকে সেইসব আকর্ষণ করতে পারে না।যেমনটা নদীর পানি সাগরে এসে বিলীন হয়ে যায়, তেমনি স্থিতপ্রজ্ঞ মহাপুরুষের প্রজ্ঞার সামনে বিষয়সমূহ বিলীন হয়ে যায়।এইরূপ স্থিরপুরুষ সম্পূর্ণরূপে কামনারহিত ও আত্মমননের ফলে, তার চিত্ত ব্রহ্মে নিরন্তর বিচরণ করতে থাকে।এইরূপ নিত্য মননের ফলে স্থিতপ্রজ্ঞ ব্যক্তির মন সর্বদা ব্রহ্মে অবস্থান করে।চিত্তের এইরূপ স্থিতিকেই ব্রাহ্মীস্থিতি বলে,এই অবস্থা'ই হচ্ছে জীবাত্মার মুক্তির অবস্থা।
অনেক বড় বড় সাধু পুরুষও সৃষ্টিকর্তার কৃপা ব্যতীত এইরকম মানসিক স্তরে উন্নীত হতে পারে না।তাই সর্বদা অনাসক্ত হয়ে সৃষ্টিকর্তায় আস্থা রেখে নিষ্কাম কর্মযোগের অনুষ্ঠান করুন।কারণ, নিষ্কাম কর্মই সহজে আপনাকে স্থির করতে সাহায্য
সাম্বৎসরীক শ্রাদ্ধ
এই ভিডিও তে বাৎসরিক শ্রাদ্ধ এর কিছুটা অংশ দেখানো হয়েছে আশাকরি আপনাদের সবাইকে ভালো লাগবে।সম্পুর্ন ভিডিও টি দেখুন
মুকাম সাজানো
সত্যনারায়ন পুজায় কিভাবে মুকাম সাজানো হয় এই ভিডিও তে তাই দেখানো হয়েছে।
আপাং গাছের গুনাগুন
#সত্যনারায়নব্রতকথা-satyanarayan bratokotha
সত্যনারায়নব্রতকথা - নারায়ণং নমস্কৃত্যং নরচৈব্য নরোত্যমং দেবী সরস্বতীং চৈব ততোজয় মুদিরয়েৎঃ । কথা- সত্যনারায়ণ পদ করিয়া বন্ধন, ক্রমে ক্রম...
-
সত্যনারায়নব্রতকথা - নারায়ণং নমস্কৃত্যং নরচৈব্য নরোত্যমং দেবী সরস্বতীং চৈব ততোজয় মুদিরয়েৎঃ । কথা- সত্যনারায়ণ পদ করিয়া বন্ধন, ক্রমে ক্রম...
-
এই ভিডিও টিতে সম্পুর্ন সত্যনারায়ন পুজাটি দেখানো হয়েছে আপনাদের সকলের কাছে অনুগ্রহ জানাই সম্পুর্ন ভিডিও টি দেখার জন্য। ...