Translate

#সত্যনারায়নব্রতকথা-satyanarayan bratokotha

সত্যনারায়নব্রতকথা-


নারায়ণং নমস্কৃত্যং নরচৈব্য নরোত্যমং
দেবী সরস্বতীং চৈব ততোজয় মুদিরয়েৎঃ
কথা-
সত্যনারায়ণ পদ করিয়া বন্ধন,    
 ক্রমে ক্রমে বন্ধিলাম যত সুরগন ।।
কলিকালে নারায়ান পূজার কারণ 
আবির্ভূত হইলেন মরতভুবন।।     
দরিদ্র ব্রাহ্মণ এক ছিল মথুরায়   
না দেখে সুখের মুখ দুঃখে কাল যায়।।
একদিন সেই ব্রাহ্মণ নগর ভ্রমিয়া   
কিছু না পাইয়া ভিক্ষা কাতর হইয়া।।
বসিলেন তরুতলে বিষন্ন বদনে  
রোদন করেন কত দুঃখ ভাবি মনে।।
দয়ালু  হইয়া চিত্তে সত্যনারায়ন 
ব্রাহ্মণের রূপধরী  দিল দরশন ।।  
ব্রাহ্মনে বলেন প্রভু সোন মহাশয়        
কি হেতু রোদন করো বসিয়া ধরায়।।
ব্রাহ্মণ বলেন কি হবে বলিলে তোমায়  
ফকির রুপেতে কহে ক্ষতি কিবা তাই।।
দ্বিজ কয় নিত্য নিত্য ভিক্ষা মেগে খায় 
আজি নাই ভিক্ষামিলে দুঃখ চিন্তা তাই।  
ফকির কহেন বিপ্র যাহ নিজপুর
 আমারে পুজিলে হবে সব কষ্ট দূর ।।
বিপ্র কয় নিত্য পুঁজি শিলা নারায়ন 
তাহা বিনা করিব কি ম্লেচ্ছ  আচরণ।।
ফকির কহেন  হাসি শোনো বিপ্রবর 
বেদ বা কোরান কিছু নহে মতান্তর ।।
যেই রাম সেই রহিম নাম একি হয়  
ত্রিলোকে নাহিকো দুই কোহিনু  নিশ্চয়।
কহিতে  কহিতে কথা অখিলের নাথ 
শঙ্খ চক্র গদা পদ্মে সোভে চারি হাত।।
দেখিয়া ব্রাহ্মণ তবে পড়িলা ধরণী   
কত মতে স্তুতিকরে গদো গদো বাণী।।
দেখিতে দেখিতে পুন  হোয়েন ফকির 
তাহা দেখি ব্রাহ্মণের  চক্ষু হয় স্থির।।
ব্রাহ্মণ বলেন প্রভু অর্চিব তোমায় 
পূজার প্রণালী কহ ধরি তব পায়।।
ফকির বলেন শুন শুন বিপ্রবর        
যেমতে করিবে  পুজা কহি অত্পর।।   
গোধুম সওয়া সের করিবেক গুড়া   
সুপারি সওয়া গণ্ডা পান রম্ভাছড়া।।
শর্করা সওয়া সের বা ইক্ষু গুড় দিবে 
ক্ষীর কিম্বা দুধ সহ ভক্তিতে অর্চিবে।। 
এইসব বস্তু বিপ্র করি আয়োজন 
চারিদিকে বসিবেক  যত ভক্তগণ।। 
আমার গুনের কথা শুনিবে শ্রবনে 
বিধানে পুজিবে বিপ্র পরম যতনে।। 
সত্যপীর কহি সবে মাথে দিবে হাত  
নারায়ন বলি করিবেক প্রণিপাত ।।🙏
{(হরিহরি বল বোল হরি)}🙏🙏🙏🐚।।
প্রসাদ লইবে যত্নে এইতো বিধান       
এত কহি নারায়ন হন অন্তর্ধান ।।
শুনিভাবে গদগদ বিপ্র  পুলকিত 
ভ্রমিতে ভ্রমিতে গৃহে হন উপনীত ।।
ব্রাহ্মণী শুনিয়া হন  হর্ষে নিমগন    
সির্নি আদি করলেন যত আয়োজন।।
যথাবিধি অর্চিলেন  নারায়ন পদ 
রাতারাতি হয় গৃহে অতুল সম্পদ ।।  
 ইহা দেখি গ্রামবাসী  কাঠুরিয়া গান 
ভক্তি করি ভিজবরে জিজ্ঞাসা তখন।।
শুনি দ্বিজ বলিলেন বিধান সমস্ত 
কাঠুরিয়া গান শুনি হয় বড় ব্যস্ত ।। 
সির্নি আদি কৈল তারা  বিহীত প্রকারে 
সর্ব কষ্ট দূর হইল হর্স ঘরে ঘরে ।।
সদানন্দ নামে সাধু ছিল একজন 
কাঠুরের সুখ দেখি হয়ে হৃষ্টমন   ।।
জিঞ্জাসিয়া আদি অন্ত সকলি  জানিল   
জানিয়া সাধুর হৃদেভক্তি জনমিল ।।
সাধু কহে অপ্রতুল নাহি অন্য ধনে  
কন্যা নাই কষ্ট তাই চিনতি  মনেমনে।।
যদি মোর গৃহে এক জনমে তনয়া  
পুজিব শ্রীসত‍্যপীরে সির্নি অগ্রে দিয়া।।
এত কহি গেল চলি সাধু অঙ্গী করি  
কালেতে জনমে কন‍্যা পরমা সুন্দরী।। 
সির্নি দেওয়ার কথা সাধু যে ভুলিল  
সুপাত্র দেখিয়া সাধু কন‍্যা বিবাহ দিল।।
কতকালে সাজাইয়া সাতখানি তরী 
জামাতা লইয়া সাধু যায় তাড়াতাড়ি।।
দক্ষিন পাটনে ছিল রাজা কলানিধি  
সেই দেশে সদাগরে নামাইল বিধি।। 
 নৃপে সম্ভাসিয়া থাকে তরনী চাপিয়া 
বিপত্তি ঘটিল দেখ সিরনি না দিয়া।।
রাজার ভান্ডারে যত ধনাদি আছিল   
নিশিমধ‍্যে সাধুর নৌকায়  পুর্ন হৈল ।।
চর মুখে শুনি রাজা ধরিয়া লইল   
 জামাতা শ্বশুরে লয়ে কারায় পুরিল।।
রাজাদেশে কোটাল মশানে লয়ে যাই  
পাত্র অনুরোধে তারা দোঁহে প্রান পায় ।।
কারাগারে বন্দি তারা থাকে দুইজন   
কি কহি দুঃখের কথা না হয় বর্ণন ।।
এখানে  সাধুর ভার্জিা আর তার সুতা 
পতির বিলম্ব দেখি চিত্তে দুঃখ যুতা ।।   
 সর্বস্ব হইল নষ্ট পড়িল দুঃখতে     
দাসিত্ব করিয়া রহে পরের গৃহেতে।।  
একদিন সাধুসুতা বেড়াইতে গিয়া    
আনন্দিতা বিপ্রঘরে সিরনী দেখিয়া।।
বিশেষ জানিয়া তথ‍্য করিল মাননা  
পিতা পতি উভে গৃহে আসে এ কামনা।।
তারপর গেল ঘরে সাধুর  তনয়া  
সত‍্যনারায়নের তাহে জনমিল দয়া।।  
শ্বশুর জামাতা যথা বন্দি কারাগারে 
স্বপ্নে কন নারায়ন সেই নরবরে ।।      
শুন শুন ওহে রাজা আমার বচন      
কলিকালে পুজ‍্য আমি সত‍্যনারায়ন।।   
সদাগর আর তার স্নেহের জামাই   
বিনাদোষে বন্দি আছে দোষ কিছু নাই।
রজনী প্রভাত হৈলে দুই সদাগরে   
দশগুন ধন দিয়া তুসিবে সাদরে ।।      
বলিতে বলিতে হইল মোহন মুরতি       
স্বপ্ন হেরি চমকিয়া উঠে  নরপতি ।।  
প্রাতকালে উঠি রাজা সবার গোচর   
আনাইল কারা হইতে দুই সদাগর।।  
বসন ভুসন আর বহু ধন দিল      
সাধুরে সন্তুষ্ট করি বিদায় করিল ।। 
দশগুন ধন লভি নায়ে দিল ভরা    
দেশেতে যাইতে সাধু করিলেন ত্বরা।।
পুলকিত সর্বজন হর্ষ কোলাহল     
নাহিজানে সত‍্যদেব করিলা মঙ্গল।। 
তবে সত‍্যদেব মন বুঝিতে সাধুর।     
ফকির  রুপেতে কন বচন মধুর।।  
ঘাটে বসি ভিক্ষা হেতু শুন সদাগর।  
কিছু ভিক্ষা দিয়া তুমি যাও নিজঘর।।
হইবে মঙ্গল তব আমি ঘরে যাই    
কুশলে থাকহ তুমি শুন সাধু ভাই  ।।  
সাধু কহে তোমা দিলে কিবা ফল হবে 
ক্ষমতা থাকিলে কেন কানি পরে রবে ।। 
তুষ ও অঙ্গার মাত্র আছে মোর নায়  
চাহ যদি দিতে পারি জানাই তোমায় ।। 
শুনি কিছু না বলিল সত‍্যনারায়ন 
বসিয়া রহিলা ঘাটে মুদিয়া নয়ন   ।।       
কিছুদুর গিয়া হেরে শশুর জামাই   
 তুষ ও অঙ্গার বিনা নায়ে কিছু  নাই ।। 
সাত নায়ে যত বস্তু সকলি অমনি  
শশুর জামাই কান্দে শিরে কর হানি ।। 
জামাতা কহিল চিন্তে তাবে সাদাগরে  
এ ঘটনা ঘটে ভিক্ষা না দিয়া ফকিরে।।
সে জন সামান‍্য নহে বুঝি অনুমানে   
চল চল ধরি গিয়া তাহার চরনে   ।।  
এত শুনি সদাগর ফিরাইল তরী     
পুনঃ সেই ঘাটে যায় অতি ত্বরা করি ।।
হেরিল ফকির তথা আছেন বসিয়া  
দুজনে পড়িল গিয়া পদেতে ধরিয়া ।।
অপরাধ  ক্ষম প্রভু কর এবে দয়া   
নরাধম হেরি দেহ চরনের ছায়া    ।। 
হাসিয়া ফকির বলে নায়ে গিয়া চড় 
কড়ার ভিক্ষারী আমি পদে কেন ধর ।।
কান্দিতে কান্দিতে তবে বলে দুইজন 
কুকর্ম করেছি ক্ষমা কর নারায়ন   ।।
 মানিয়া সিরনী ভুল হয়েছে আমার  
অপরাধ  হইয়াছে পদেতে তোমার  ।। 
কহিলাম সত‍্য এই বলি দাড়াইয়ে  
সওয়া সের স্বর্নের সির্নি দিব গিয়ে।।
সত‍্যনারায়ন তবে সদয় হইল        
প্রনতি করিয়া  সাধু তরিতে চড়িল ।। 
উত্তরিল ঘাটে  সাধু হইল কোলাহল 
 সাধুর গৃহিনী সুতা শুনি কৌতুহল ।। 
নৌকার  দ্রব‍্যাদি যত ঘরেতে লইয়া  
সিরনি করিল সাধু পুলকে মজিয়া।।
প্রসাদ লইল সবে যুড়ি দুই পাণি   
লইতে মাটিতে ফেলে সাধর নন্দিনী ।।
দেখি সত‍্যদেব তবে ক্রৌধিত হইল  
জামাতা সহিত নৌকা সলিলে ডুবাল।।
তাহা দেখে সাধু করে ঘোর উচ্চনাদ  
হায় হায় আকস্মাৎ হলো কিপ্রমাদ  ।। 
শুনি সাধু কন‍্যা যায় ডুবিয়া মরিতে  
জননী না পারে তারে ধরিয়া রাখিতে ।। 
হেনকালে দৈববানী হৈল আচম্বিত  
সিরনী ফেলিয়া সুতা কৈল বিপরীত ।।
ইহা শুনি সাধুসুতা তখনি উঠিয়া     
মাটি হৈতে সির্নি তবে খাইল চাটিয়া।।
ভাসিল নৌকার  সহ সাধুর জামাই  
 যত দ্রব‍্য আছে সব কিছু নড়ে নাই ।।
তরির যতেক বস্তু ভান্ডারেতে আনি  
করিলেক সওয়া সের সোনার সির্নি ।।
স্বপ্নে বলিলেন প্রভু শুন সাধু কই    
আটায় সন্তুষ্ট আমি সর্বক্ষন হই  ।। 
  স্বপ্নে শুনি সদাগর পরম আনন্দ   
 আটার সিরনী কৈল সাধু সদানন্দ ।।     
এ কথা রটিল ক্রমে সবার আলয় 
ভক্তিতে পুজিলে বাঞ্ছা আশু সিদ্ধ হয়।।
গুনকথা শুনিবেক হয়ে এক মন   
 বিমনা হইলে রুষ্ট সত‍্যনারায়ন।।      
এক চিত্তেশুনে কিম্বা পুজে নারায়ন 
 ছুইতে না পারে তারে কদাচ শমন ।।
শঙ্করাচার্য‍্যের মত প্রবন্ধ প্রাচীন  👃
 অতঃপর  বল সবে সত‍্যনারায়ন🙏🙏🙏।
{(হরিহরি বল বোল হরি)}।
👃M🥕♟


প্রনাম-
নমঃ ব্রহ্মন্যদেবায়ঃগোব্রাহ্মনহিতায়চ্
জগৎধিতায় শ্রী কৃষ্ণায় গোবিন্দায় নমো নমঃ।।🙏

ধ্যান মন্ত্র-
   ধ্যায়েসত্যং গুনাতিতং গুনত্রয় সমম্বিতং
লোকনাথং ত্রিলোকেশং পীতাম্বরং ধরংবীভূমং ইন্দিবর দলসামাং শঙ্খ  চক্র গদা ভৃতাম
 নারায়ণন চতুর্বাহু শ্রীবৎস পরিপুজিতং 
গোবিন্দং গোকুলানন্দং জগতং পিতরং গুরুং
ভক্তবাঞ্ছাকল্পতরু ব্রহ্মদৈ পরিপুজিতং।। নমঃসত্যনারায়নায়নমঃ🙏🙏🙏🙏🙏 

Janmastamipuja [musaboni] মুসাবনি রাধাকৃষ্ণ মন্দিরে কৃষ্ণজন্মাষ্টমী পূজা


 এ বছরযে ভাবে মন্দিরে পূজা হয়েছিল তারেইএকটি ভিডিও এখানে দেওয়া হোলো ভিডিওটি দেখবেন

টুসু(মকর)পরব

টুসু উৎসব বা মকর পরব একটি লোকউৎসব




টুসু পরব

টুসু উৎসব বা মকর পরব একটি লোকউৎসব, যা বাংলা অগ্রহায়ণ মাসের শেষ দিনে শুরু হয় আর শেষ হয় পৌষ সংক্রান্তি বা মকর-সংক্রান্তির পুণ্যলগ্নে। টুসু এক লৌকিক দেবী যাকে কুমারী হিসেবে কল্পনা করা হয় বলে প্রধানত কুমারী মেয়েরা টুসুপূজার প্রধান ব্রতী ও উদ্যোগী হয়ে থাকে। এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের পুরুলিয়া জেলা,ঝাড়গ্রাম জেলা,বাঁকুড়া জেলা,পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা এবং ঝাড়খণ্ড রাজ্যের পূর্ব সিংভূম জেলা,পশ্চিম সিংভূম জেলা, সাঁওতাল পরগনা, ধানবাদ জেলা,সরাইকেল্লা খরসোয়া জেলা, রাঁচি ও হাজারিবাগ জেলার এবং ওড়িশা রাজ্যের ময়ূরভঞ্জ জেলা,সুন্দরগড় জেলা,কেন্দুঝর জেলা এর কৃষিভিত্তিক উৎসব।
টুসুর নামকরণ সম্বন্ধে সর্বজনগ্রাহ্য কোন মত নেই।
টুসু উৎসব অগ্রহায়ণ সংক্রান্তি থেকে পৌষ সংক্রান্তি পর্যন্ত এক মাস ধরে পালিত হয়। ধানের ক্ষেত থেকে এক গোছা নতুন আমন ধান মাথায় করে এনে খামারে পিঁড়িতে রেখে দেওয়া হয়। অগ্রহায়ণ মাসের সংক্রান্তির সন্ধ্যাবেলায় গ্রামের কুমারী মেয়েরা একটি পাত্রে চালের গুঁড়ো লাগিয়ে তাতে তুষ রাখেন। তারপর তুষের ওপর ধান, কাড়ুলি বাছুরের গোবরের মন্ড, দূর্বা ঘাস, আল চাল, আকন্দ, বাসক ফুল, কাচ ফুল, গাঁদা ফুলের মালা প্রভৃতি রেখে পাত্রটির গায়ে হলুদ রঙের টিপ লাগিয়ে পাত্রটিকে পিড়ি বা কুলুঙ্গীর ওপর রেখে স্থাপন করা হয়। পাত্রের এই পুরো ব্যবস্থা প্রতিদিন সন্ধ্যার পরে টুসু দেবী হিসেবে পূজিতা হন।পৌষ মাসের প্রতি সন্ধ্যাবেলায় কুমারী মেয়েরা দলবদ্ধ হয়ে টুসু দেবীর নিকট তাদের ব্যক্তিগত ও সামাজিক অভিজ্ঞতা সুর করে নিবেদন করেন ও দেবীর উদ্দেশ্যে চিঁড়ে, গুড়, বাতাসা, মুড়ি, ছোলা ইত্যাদি ভোগ নিবেদন করেন।
টুসু উৎসব পালনের সময় পৌষ মাসের শেষ চারদিন চাঁউড়ি, বাঁউড়ি, মকর এবং আখান নামে পরিচিত। চাঁউড়ির দিনে গৃহস্থ বাড়ির মেয়েরা উঠোন গোবরমাটি দিয়ে নিকিয়ে পরিষ্কার করে চালের গুঁড়ো তৈরী করা হয়। বাঁউড়ির দিন অর্ধচন্দ্রাকৃতি, ত্রিকোণাকৃতি ও চতুষ্কোণাকৃতির পিঠে তৈরী করে তাতে চাঁছি, তিল, নারকেল বা মিষ্টি পুর দিয়ে ভর্তি করা হয়। স্থানীয় ভাবে এই পিঠে গড়গড়্যা পিঠে বা বাঁকা পিঠে বা উধি পিঠে ও পুর পিঠা নামে পরিচিত। বাঁউড়ির রাত দশটা থেকে টুসুর জাগরণ অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। মেয়েরা জাগরণের ঘর পরিষ্কার করে ফুল, মালা ও আলো দিয়ে সাজায়। এই রাতে কিশোরী কুমারী মেয়েরা ছাড়াও গৃহবধূ ও বয়স্কা মহিলারাও টুসু গানে অংশগ্রহণ করেন। এই রাতে টুসু দেবীর ভোগ হিসেবে নানারকম মিষ্টান্ন, ছোলাভাজা, মটরভাজা, মুড়ি, জিলিপি ইত্যাদি নিবেদন করা হয়।
পৌষ সংক্রান্তি বা মকরের ভোরবেলায় মেয়েরা দলবদ্ধভাবে গান গাইতে গাইতে টুসু দেবীকে বাঁশ বা কাঠের তৈরী রঙিন কাগজে সজ্জিত চৌডল বা চতুর্দোলায় বসিয়ে নদী বা পুকুরে নিয়ে যান। সেখানে প্রত্যেক টুসু দল একে অপরের টুসুর প্রতি বক্রোক্তি করে গান গাইতে দেবী বিসর্জন করে থাকেন। টুসু বিসর্জনের পরে মেয়েরা নদী বা পুকুরে স্নান করে নতুন বস্ত্র পরেন। ছেলেরা খড়, কাঠ, পাটকাঠি দিয়ে ম্যাড়াঘর বানিয়ে তাতে আগুন লাগান।
টুসু উৎসবের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ টুসু সংগীত। এই সংগীতের মূল বিষয়বস্তু লৌকিক ও দেহগত প্রেম। এই গান গায়িকার কল্পনা, দুঃখ, আনন্দ ও সামাজিক অভিজ্ঞতাকে ব্যক্ত করে। কুমারী মেয়ে ও বিবাহিত নারীরা তাদের সাংসারিক সুখ দুঃখকে এই সঙ্গীতের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলেন।  গানের মাধ্যমে মেয়েলি কলহ, ঈর্ষা, অভীপ্সা, দ্বেষ, ঘৃণা স্পষ্ট ভাষায় ব্যক্ত করা হয়। এছাড়া সমকালীন রাজনীতির কথা ব্যাপক ভাবে এই গানে প্রভাব বিস্তার করে থাকে। এই সমস্ত গানে পণপ্রথা, সাক্ষরতা সম্বন্ধে সচেতনতা, বধূ নির্যাতনের বিরুদ্ধতা প্রভৃতি সামাজিক দায়িত্বের কথাও বলা হয়।
টুসু গীতকে ভনিতাযুক্ত ও ভনিতাবিহীন এই দুই শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। ভণিতাবিহীন টুসু গীতকে মূল টুসু পদ এবং টুসু পদের রঙ এই দুইটি অংশে ভাগ করা যায়। টুসু পদের রঙ অংশটি কখনো মূল পদের সঙ্গে সাযুজ্য রেখে রচনা করা হয়, কখনো বা স্বতন্ত্র ভাবে রচিত হয়। ভণিতাবিহীন টুসু পদ মূলতঃ চার চরণে বাঁধা থাকে, যার মধ্যে রঙের জন্য মাত্র দুইটি চরণ নির্দিষ্ট থাকে।
ঝাড়খণ্ড রাজ্য ও পুরুলিয়া জেলার অধিকাংশ স্থানে পুরাতন প্রথা অনুযায়ী টুসু উৎসবে কোন মূর্তির প্রচলন নেই, কিন্তু পুরুলিয়া জেলার বান্দোয়ান থানা এবং বাঁকুড়া জেলার খাতড়া থানার পোরকুলের টুসু মেলায় টুসু মূর্তির প্রচলন রয়েছে। বিভিন্ন ভঙ্গীতে অশ্ব বাহিনী বা ময়ূর বাহিনী মূর্তিগুলির গায়ের রঙ হলুদ বর্ণের ও শাড়ি নীল রঙের হয়ে থাকে। মূর্তির হাতে কখনো শঙ্খ, কখনো পদ্ম, কখনো পাতা বা কখনো বরাভয় মুদ্রা দেখা যায়।
 টুসু শব্দটি তুষ থেকে এসেছে। তাতে কোন সন্দেহ নেই। ধানের তুষ যাদুক্রিয়ার যেমন অঙ্গ তেমনি মৃত ধানেরও প্রতীক। টুসুকে জলে বিসর্জন দেওয়ার অর্থ হল তাঁকে কবর দেওয়া। আদিম মানুষ মৃত্যু ও পুনর্জন্মকে পরস্পরের সম্পর্কযুক্ত দুটি ঘটনার অতিরিক্ত কিছু মনে করত না।
 টুসু মধ্যপ্রাচ্যের প্রজনের দেবতা 'টেষুব' এই শব্দটির অপভ্রংশ, ...এটি কৃষি উৎসব নয় - সন্তান কামনার কুমারী উৎসব।

অপরাজিতা স্তোত্র aparajita stotra

  


 এই সম্পুর্ন শুনলে অনেক উপকার হয় উপরে যে ভিডিও টি দেওয়া হয়েছে  যদি পারবেন তো প্রতিদিন সকালে স্নান করে কমসেকম একবার পাট করবেন অপরাজিতা স্তোত্র টি aparajita stotra এর ফলে আপনি দেখবেন চতুরমুখী আপনার বাড়িতে |



shanti mantra

শান্তি মন্ত্  ওঁ স্বস্তি নো ইন্দ্রো বৃদ্ধশ্রবাঃ।

স্বস্তি নঃ পূষা বিশ্ববেদাঃ।
স্বস্তি নোস্তার্ক্ষ্যো অরিষ্টনেমিঃ।
স্বস্তি নো বৃহস্পতির্দধাতু
ওঁ শান্তিঃ শান্তিঃ শান্তিঃ ।।

ওম শান্তি ওম শান্তি ওম শান্

 ওঁ সহনাববতু , সহনৌ ভুনক্তু , সহ বীর্যং করবাবহৈ।
         তেজস্বীনাবধীতমস্তু , মা বিদ্বিষাবহৈ ।।
                   ওঁ শান্তিঃ , ওঁ শান্তিঃ , ওঁ শান্তিঃ।

 ওঁ পূর্ণমদঃ পূর্ণমিদং পূর্ণাৎ পূর্ণমুদচ্যতে।
   পূর্ণস্য পূর্ণমাদায় পূর্ণমেবাবশিষ্যতে।।
       ওঁ শান্তিঃ, ওঁ শান্তিঃ, ওঁ শান্তিঃ।। 

 ওঁ আপ্যায়ন্তু মমাঙ্গানি বাক্-প্রাণশ্চক্ষুঃ
শোত্রমথবলমিন্দ্রিয়ানি চ সর্বাণি।
সর্বং ব্রহ্মৌপনিষদং। মা অহং ব্রহ্ম
নিরাকুর্যাং, মা মা নিরাকরোৎ অনিরাকরণম্ অস্তু অনিরাকরণং মে অস্তু
তদাত্মনি নিরতে য উপনিষৎসু ধর্মাস্তে
ময়ি সন্তু তে ময়ি সন্তু।
ওঁ শান্তিঃ শান্তিঃ শান্তিঃ ।। 

 ওঁ বাঙ্মে মনসি প্রতিষ্ঠাতা
মনো মে বাচি প্রতিষ্ঠিতম্, আবিরাবীর্ম এধি।
বেদস্য ম আণীস্থঃ, শ্রুতং মে মা প্রহাসীঃ, অনেন অধীতেন অহোরাত্রান্
সংদধামি, ঋতং বদিষ্যামি, সত্যং বদিষ্যামি, তৎ মাম্ অবতু
তৎবক্তারম্ অবতু, অবতু মাম্, অবতু বক্তারম্ অবতু বক্তারম্।
ওঁ শান্তিঃ শান্তিঃ শান্তিঃ ।। 

 ওঁ শং নো মিত্রঃ শং বরুণঃ।
শং নো ভবত্বর্যমা।
শং নো ইন্দ্রো বৃহস্পতিঃ।
শং নো বিষ্ণুরুরুক্রমঃ।
নমো ব্রহ্মণে।
নমোস্তে বায়ো।
ত্বমেব প্রত্যক্ষং ব্রহ্মাসি।।
ত্বমেব প্রত্যক্ষং ব্রহ্ম বদিষ্যামি।
ঋতং বদিষ্যামি।
সত্যং বদিষ্যামি। তন্মামবতু।
তদ্বক্তারমবতু।
অবতু মাম।
অবতু বক্তারম।
ওঁ শান্তিঃ শান্তিঃ শান্তিঃ ।। 

 

 ওঁ শং নো মিত্রঃ শং বরুণঃ।
শং নো ভবত্বর্যমা।
শং নো ইন্দ্রো বৃহস্পতিঃ।
শং নো বিষ্ণুরুরুক্রমঃ।
নমো ব্রহ্মণে।
নমোস্তে বায়ো।
ত্বমেব প্রত্যক্ষং ব্রহ্মাসি।।
ত্বমেব প্রত্যক্ষং ব্রহ্ম বদিষ্যামি।
ঋতং বদিষ্যামি।
সত্যং বদিষ্যামি। তন্মামবতু।
তদ্বক্তারমবতু।
অবতু মাম।
অবতু বক্তারম।
ওঁ শান্তিঃ শান্তিঃ শান্তিঃ ।। 

 

 

দেবীদেবতার ধ্যান ও প্রণাম মন্ত্র-

বিভিন্য দেবীদেবতার ধ্যান ও প্রণাম মন্ত্র -

পবিত্র করন মন্ত্র-

 ওঁ তদ্বিষ্ণোঃ পরমং পদং সদা পশ্যন্তি সূরয়ঃ দিবীব চক্ষুরাততম্
 ওঁ অপবিত্রঃ পবিত্রো বা সর্বাবস্থাং গতোঽপি বা।
যঃ স্মরেৎ পুণ্ডরীকাক্ষং স বাহ্যাভ্যন্তরঃ শুচিঃ।।

গঙ্গাদীসর্ব তীর্থ আবাহন

 ওঁ গঙ্গে চ যমুনে চৈব গোদাবরি সরস্বতি। নর্মদে সিন্ধু-কাবেরি জলেঽস্মিন সন্নিধিং কুরু ।।
কুরুক্ষেত্র গয়া গঙ্গা  প্রভাস পুষ্করানিচ্ তির্থান‍্যেত‍্যানি পুন‍্যনি পুজা কালে ভবন্তিহ্।
 

 পুষ্প শুদ্ধি:

পুষ্পে পুষ্পে মহা পুষ্পে সুপুষ্পে পুস্পসম্ভবে
পুষ্প চায়ার কীর্ণে চ হুং ফট স্বাহা।।

আসন শুদ্ধি মন্ত্র :

এতে গন্ধপুষ্পে ওঁ হ্রীঁ আধার শক্তি-কমলাসনায় নমঃ।
তৎপরে আসন ধরিয়া পাঠ করিবে, - আসনমন্ত্রস্য মেরুপৃষ্ঠঋষিঃ সুতলং ছন্দঃ কুর্ম্মো দেবতা আসনে উপবেশনে বিনিয়োগঃ।
অনন্তর হাত জোড় করিয়া পাঠ করিবে, - ওঁ পৃথ্বি ত্বয়া ধৃতা লোকা দেবি ত্ত্বং বিষ্ণুনা ধৃতা। ত্বঞ্চ ধারয় মাং নিত্যং পবিত্রং কুরু চাসনম্।
 

স্বস্তিবাচন:

ওঁ স্বস্তি ন ইন্দ্রো বৃদ্ধশ্রবাঃ স্বস্ত্যি নঃ পূষা বিশ্ববেদাঃ। স্বস্তি ন স্তার্ক্ষ্যো অরিষ্টনেমিঃ স্বস্তি নো বৃহস্পতির্দধাতু।। ওঁ গণানাং ত্বা গণপতিগুং হবামহে, ওঁ প্রিয়াণাং ত্বা প্রিয়পতিগুং হবামহে, ওঁ নিধীনাং ত্বা নিধিপতিগুং হবামহে, বসো মম। ওঁ স্বস্তি ওঁ স্বস্তি ওঁ স্বস্তি।।
গনেশ আদি পঞ্চ দেবতার পূজা
তারপর একে একে গণেশ, শ্রীগুরু, শিব, সূর্য, নারায়ণ, দুর্গা, নবগ্রহ, দশমহাবিদ্যা, দশাবতার, সর্বদেবদেবী ও আপনার ঠাকুরের আসনে অন্যান্য ঠাকুরদেবতা থাকলে তাঁদেরকে এবং আপনার ইষ্টদেবতাকে প্রত্যেককে একটি করে সচন্দন ফুল দিয়ে পূজা করবেন।

.গণেশের ধ্যান 

 ওঁ খর্বং স্থূলতনুং গজেন্দ্রবদনং লম্বোদরং সুন্দরং প্রস্যন্দম্মদগন্ধলুব্ধ মধুপব্যালোলগন্ডস্থলম্ ।
দন্তাঘাত বিদারিতারিরুধিরৈঃ সিন্দুরশোভাকরং , বন্দেশৈল সুতাসুতং গণপতিং সিদ্ধিপ্রদ কামদম্ ।।

গনেশের প্রনামঃ

ঔঁ একদন্ত মহাকায় লম্বোদর গজানন।
বিঘ্ননাশকরং দেব হেরম্বং প্রণমাম্যহম্।

ওঁ সর্ব্ববিঘ্ন বিনাশয় সর্ব্বকল্যান হেতবে ।পার্ব্বতী প্রিয় পুত্রায় গনেশায় নমো নমঃ।।

 

 .পুষ্পাঞ্জলি মন্ত্র

 ওঁ আয়ুর্দ্দেহি যশো দেহি শ্রীয়ং দেহি তমেবচ্।
পুত্রং পৌত্রং প্রপৌতঞ্চ দেহিমে গননায়ক।। এতৎ্সচন্দনপুস্পং পুস্পাঞ্জলি সমরপয়ামি গাং গনেশায় নম্।।


 

গুরু প্রনামঃ

ঔঁ অখণ্ডমণ্ডালাকারং ব্যাপ্তং যেন চরাচরম্।
তৎপদং দশি‘তং যেন তস্মৈ শ্রীগুরুবে নমঃ।।১
অঞ্জানতিমিরান্ধস্য ঞ্জানাঞ্জন শলাকায়া।
চক্ষু রুল্মীলিতং যেন তস্মৈ শ্রীগুরুবে নমঃ।।২.
গুরু ব্রক্ষা গুরু বিষ্ণু গুরুদেবো মহেশ্বরঃ।
গুরুঃ সাক্ষাৎ পরং ব্রক্ষ তস্মৈ শ্রীগুরুবে নমঃ।।৩

 শিবের ধ্যান-

.শান্তং পদ্মাসনস্থং শশিধরমকুটং পঞ্চবক্ত্রং ত্রিনেত্রং
শূলং বজ্রং চ খড্গং পরশুমভয়দং দক্ষভাগে বহন্তম্।
নাগং পাশং চ ঘণ্টাং বরডমরুয়ুতং চাঙ্কুশং বামভাগে
নানালঙ্কারয়ুক্তং স্ফটিকমণিনিভং পার্বতীশং ভজামি॥১
বন্দে দেবমুমাপতিং সুরগুরুং বন্দে জগত্কারণং
বন্দে পন্নগভূষণং মৃগধরং বন্দে পশূনাম্পতিম্।
বন্দে সূর্যশশাঙ্কবহ্নিনয়নং বন্দে মুকুন্দপ্রিয়ং
বন্দে ভক্তজনাশ্রয়ং চ বরদং বন্দে শিবং শঙ্করম্॥২
 মৌলৌ চন্দ্ৰ-দলং গলে চ গরলং জূটে চ গঙ্গাজলং
ব্যালং বক্ষসি চানলঞ্চ নয়নে শূলং কপালং করে।
বামাঙ্গে দধতং নমামি সততং প্ৰালেয়শৈলাত্মজাং
ভক্তক্লশহরং হরং স্মরহরং কাপুর গৌরং পরম ॥৩
ধ্যায়েন্নিত্যং মহেশং রজতগিরি-নিভং চারুচন্দ্ৰাবতংসং
রত্নাকল্পোজ্জলাঙ্গং পরশুমৃগবরাভীতিহস্তং প্ৰসন্নম।
পদ্মাসীনং সমস্তাৎস্তুতমমর-গণৈর্ব্যাস্ত্ৰকৃত্তিং বসনং
বিশ্বাস্থ্যং বিশ্ব-বীজং নিখিলভয়হরং পঞ্চবক্তং ত্ৰিনেত্ৰম ॥ ৪
 
 

শিবের প্রনাম মন্ত্রঃ

ওঁ নমস্তভ্যঃ বিরূপাক্ষ নমস্তে দিব্যচক্ষুসে নমঃ ।
পিণাকহস্তায় বজ্রহস্তায় বৈ নমঃ ।।
নমত্রিশূলহস্তায় দন্ড পাশাংসিপাণয়ে ।
নমঃ স্ত্রৈলোক্যনাথায় ভূতানাং পতয়ে নমঃ ।।
ওঁ বানেশ্বরায় নরকার্ণবতারনায় , জ্ঞানপ্রদায় করুণাময়সাগরায় ।
কর্পূরকুন্ডবলেন্দুজটাধরায় , দারিদ্রদুঃখদহনায় নমঃ শিবায় ।।
ওঁ নমঃ শিবায় শান্তায় কারণত্রয়হেতবে ।
নিবেদয়ানি চাত্মানংত্তৃংগতিপরমেশ্বরঃ ।

.

দূর্গা প্রণামঃ

ওঁ জয়ন্তি,মঙ্গলা, কালী,ভদ্রকালী,কপালিনী।
দূর্গা,শিবা,ক্ষমা,ধাত্রি,স্বাহা স্বধা নমোহস্তুতে।।
.


.

সূর্যপ্রণাম:

ওঁ জবাকুসুমসঙ্কাশং কাশ্যপেয়ং মহাদ্যুতিম্।
ধ্বান্তারিং সর্বপাপঘ্নং প্রণতোঽস্মি দিবাকরম্।।

নারায়ণের স্নান:

ধ্যানান্তে নিম্নোক্ত মন্ত্রে ঘণ্টা বাজাইতে বাজাইতে স্নান করাইবে—
ওঁ সহস্রশীর্ষা পুরুষঃ সহস্রাক্ষ সহস্রপাৎ।
স ভূমিং সর্বতঃ স্পৃত্বা অত্যত্তিষ্ঠদ্দশাঙ্গুলাম্‌।।
ওঁ নারায়ণায় বিদ্মহে বাসুদেবায় ধীমহি তন্নো বিষ্ণুঃ প্রচোদয়াৎ ওঁ।।
স্নানান্তে ‘ওঁ নমস্তে বহুরূপায় বিষ্ণবে পরমাত্মনে স্বাহা’ মন্ত্রে দুইটি তুলসীপত্র ৺নারায়ণের উপরে ও নীচে দিবেন।

নারায়ণের ধ্যান:

কূর্মমুদ্রায় পুষ্প লইয়া পূর্ববৎ ধ্যান করিবে—
ওঁ ধ্যেয়ঃ সদা সবিতৃমণ্ডলমধ্যবর্তী নারায়ণঃ সরসিজাসনসন্নিবিষ্টঃ।
কেয়ূরবান্‌ কনককুণ্ডলবান্‌ কিরীটীহারী হিরণ্ময়বপুর্ধৃতশঙ্খচক্রঃ।।
পঞ্চপচারে নারায়ণ পূজা :
ওঁ নমো নারায়ণায় এষ গন্ধঃ নারায়ণায় নমঃ।
ওঁ নমো নারায়ণায় ইদং সচন্দনপুষ্পং নারায়ণায় নমঃ।
ওঁ নমো নারায়ণায় ইদং সচন্দনতুলসীপত্রং ওঁ নমস্তে বহুরূপায় বিষ্ণবে পরমাত্মনে স্বাহা নারায়ণায় নমঃ।
ওঁ নমো নারায়ণায় এষ ধূপঃ নারায়ণায় নমঃ।
ওঁ নমো নারায়ণায় এষ দীপঃ নারায়ণায় নমঃ।
ওঁ নমো নারায়ণায় ইদং নৈবেদ্যং নারায়ণায় নমঃ।
.

 নারায়ণের প্রনামঃ

নম ব্রহ্মণ্য দেবায় গো ব্রহ্মণ্য হিতায় চ।
জগদ্ধিতায় শ্রীকৃষ্ণায় গোবিন্দায় নমো নমঃ ।।

ওঁ ত্রৈলোক্যপূজিতঃ শ্রীমান্‌ সদাবিজয়বর্ধনঃ।
শান্তিং কুরু গদাপাণে নারায়ণ নমোঽস্তু তে।।
নম ব্রহ্মণ্য দেবায় গো ব্রহ্মণ্য হিতায় চ।
জগদ্ধিতায় শ্রীকৃষ্ণায় গোবিন্দায় নমো নমঃ
.

লক্ষ্মীদেবীর ধ্যান মন্ত্র:

ওঁ পাশাক্ষমালিকাম্ভোজ সৃণিভির্যাম্য সৌম্যয়োঃ।
পদ্মাসনাস্থাং ধায়েচ্চ শ্রীয়ং ত্রৈলোক্য মাতরং।।
গৌরবর্ণাং স্বরূপাঞ্চ সর্বালঙ্কারভূষিতাম্।
রৌক্‌নোপদ্মব্যগ্রকরাং বরদাং দক্ষিণেন তু।।
 

লক্ষ্মীদেবীরপ্রনামঃ

ওঁ বিশ্বরূপস্য ভার্যাসি পদ্মে পদ্মালয়ে শুভে।
সর্বতঃ পাহি মাং দেবী মহালক্ষ্মী নমোহস্তু তে।।
.

শ্রীশ্রীলক্ষ্মী স্তোত্রম্ঃ

ত্রৈলোক্য পূজিতে দেবী কমলে বিষ্ণুবল্লভে।
যথাস্তং সুস্থিরা কৃষ্ণে তথা ভবময়ি স্থিরা।।
ঈশ্বরী কমলা লক্ষ্মীশ্চলা ভূতি হরিপ্রিয়া।
পদ্মা পদ্মালয়া সম্পদ সৃষ্টি শ্রীপদ্মধারিণী।।
দ্বাদশৈতানি নামানি লক্ষ্মীং সম্পূজ্য যঃ পঠেত।
স্থিরা লক্ষ্মীর্ভবেৎ তস্য পুত্রদারারদিভিংসহ।।

পুষ্পাঞ্জলি মন্ত্র:

নমস্তে সর্বদেবানাং বরদাসি হরিপ্রিয়ে।
যা গতিস্তং প্রপন্নানাং সা মে ভূয়াত্বদর্চবাৎ।।
শ্রীশ্রীলক্ষ্মীদেবীর প্রণাম মন্ত্র
ওঁ বিশ্বরূপস্য ভার্যাসি পদ্মে পদ্মালয়ে শুভে।
সর্বতঃ পাহি মাং দেবী মহালক্ষ্মী নমোহস্তু তে।।

চরণামৃত লওয়ার মন্ত্র-

ওঁ অকাল-মৃত্যু-হরণং সর্ব্ব ব্যাধি-বিনাশনং ।
কৃষ্ণ পাদোদকং পীত্বা শিরসা ধারয়াম্যহং ।
 

ইশ্বর ভগবান দেবতা এরাসকলে এক নয়-

ঈশ্বর, ভগবান ও দেবতা মধ্যে কি পার্থক্য ?

 এ তিনটি শব্দ এক নয় বরং সম্পূর্ণ আলাদা।
যদিও ইংরেজীতে ঈশ্বর, ভগবান ও দেবতাকে একত্রে GOD বলা হয়।
 
এবিষয়ে সংগৃহিত তথ্যালোকের ভিত্তিতে নিচের সংকলনটি লেখাঃ


#ঈশ্বর
          ঈশ্বর এক, অব্যয় ও অদ্বিতীয়। তিনি অনাদির আদি। এক হয়েও তিনি বহুদা বিভুতিতে প্রকাশ। যেমন তিনি একদিকে সৃষ্টি কর্তা ও স্থিতির কর্তা, অন্যদিকে দিকে তিনি প্রলয়েরও কর্তা। ঈশ্বর হল সকল জাগতিক ক্ষমতার সর্বোচ্চ অবস্থানে অবস্থানকারী অস্তিত্ব। আর্যদের স্মৃতি শাস্ত্রে মূলতঃ ঈশ্বর বিষয়ে এভাবেই ধারণ দেয়া আছে। এই মহাবিশ্বের জীব ও জড় সমস্তকিছুর সৃষ্টিকর্তা ও নিয়ন্ত্রক আছে বলেই মনে করা হয়। ধ্বংসকর্তা, সৃষ্টিকর্তা ও পালনকর্তা আলাদা কেউ নন। প্রয়োজন অনুযায়ী ঈশ্বরের পূর্ণ রুপ মাত্র। 

#ভগবান
             “ভগ” ও “বান” – এদুটি শব্দের সন্ধির ফলে মূলতঃ ভগবান শব্দের উদ্ভব হয়েছে। 
“ভগ” শব্দটি গুনবাচক উপসর্গ এবং “বান” শব্দের অর্থ হলো অধিকারী কিংবা যার আছে অর্থে বুঝায়। 
“বান” শব্দের পূর্বে গুনবাচক উপসর্গ “ভগ” শব্দটি বসানোর পর একত্রে “ভগবান” শব্দটি এসেছে।‘ভগ’ অর্থ ঐশ্বর্য্য এবং ‘বান’ অর্থ অধিকারী, যার আছে। অথাৎ যিনি ঐশ্বর্যের অধিকারী তাকে বলা হবে ভগবান ।

 পরাশর মুনি ভগবান শব্দের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেছেন-

ঐশ্বর্য্যস্য সমগ্রস্য বীর্যস্য যশসঃ শ্রিয়ঃ ।
জ্ঞানবৈরাগ্যয়োশ্চৈব ষন্নত্‍ ভগ ইতিঙ্গনা ॥

#অনুবাদঃ যার মধ্যে সমস্ত ঐশ্বর্য্য, সমস্ত বীর্য্য, সমস্ত যশ, সমস্ত শ্রী, সমস্ত জ্ঞান এবং সমস্ত বৈরাগ্য এই ছয়টি গুন পূর্ণমাত্রায় বর্তমান, তিনি হচ্ছেন ভগবান।

 এই জগতে কেউ বড় ধনী হতে পারে, কিন্তু কেউ দাবী করতে পারেনা আমি সমস্ত ধনের মালিক। এই জগতে কেউ জ্ঞানী হতে পারে ,কিন্তু তিনি দাবী করতে পারে না সমস্ত জ্ঞানের অধিকারী। কিন্তু ভগবান সমস্ত ধন ,সমস্ত জ্ঞান ,সমস্ত সৌন্দর্য্য, সমস্ত যশ ,সমস্ত শক্তির অধিকারী, তাই তাকে বলা হয় ভগবান । সুতরাং কোন ব্যক্তির মধ্যে এছ’টি গুনের পূর্ণ বিকাশ (আংশিক নয়) দেখা গেলে তাকে ভগবান সম্মোধন করতে বাঁধা নেই। মূলতঃ একারনে সনাতন ধর্মে বহু মুনি, মহামুনি, ঋষি, মহাঋষিদের নামের আগে ভগবান শব্দটির ব্যবহার হতে দেখা যায়। যেমনঃ ভগবান পরশুরাম। 

#দেবতা
           দেবতা শব্দের অর্থ হলো যাদের মানে ও দানে আমরা পুষ্ট।প্রকৃতির যে সকল উপাদান বা পরমেশ্বর সৃষ্ট বিভুতি জীবের জীবন ধারাকে সর্বদা মসৃন করে রাখে এবং তাদের দানে জীব তথা মানুষ পুষ্ট থাকে – এরাই মূলতঃ দেবতা। দেবতাদের মাতৃরুপ বা বিপরীত লিঙ্গের চিন্তনই হলো দেবী। এজন্য দেবতা কিংবা দেবীদের এক এক শক্তির উৎস এবং এক একটি শক্তির ধারণ রুপে পূজো করতে দেখা যায়।

কথায় কথায় হিন্দুদের সংখ্যায় ৩৩কোটি দেব ও দেবীর কথা বলা হয়। আসলে ব্যাপাটা ঠিক নয়। 

বেদে বলা হয়েছে "ত্রয়স্তিমাশতি কোটি। "

এই ত্রয়স্তিমাশতি শব্দের অর্থ তেত্রিশ অনুবাদ করা হলেও কোটি শব্দের অর্থ আর অনুবাদ করা হয় নি। কোটি শব্দের অর্থ ২টি একটি হলো প্রকার ও অন্যটি সংখ্যাগত কোটি।  

শতপথ ব্রাহ্মণ এবং অন্যান্য গ্রন্থে এটি পরিষ্কার ভাবে ব্যখ্যা করা হয়েছে। 

অথর্ব বেদের দশম অধ্যায় সপ্তম সুক্তের ত্রয়োদশ শ্লোকে বলা হয়েছে-

যস্য ত্রয়স্ত্রিংশদ্ দেবা অঙ্গে সর্বে সমাহিতাঃ।
স্কম্মং তং ব্রুহি কতমঃ স্বিদেব সঃ।

অর্থাৎ, পরম ঈশ্বরের প্রভাবে এই তেত্রিশ জন দেবতা বিশ্বকে বজায় রেখেছে।

এই তেত্রিশ জন হলেন
#দ্বাদশ_আদিত্য:

ভাগবত পুরাণ অনুসারে এই দ্বাদশ আদিত্য হলেন:

বিবস্বান্
অর্যমা
পূষা
ত্বষ্টা
সবিতা
ভগ
ধাতা
বিষ্ণু (দ্বাদশ আদিত্যের অধিপতি)
বরুণ
মিত্র
ইন্দ্র
অংশুমান

 #রুদ্র:
এই একাদশ রুদ্র হলেন মহাদেব শিবের বিভিন্ন রূপ

মন্যু
মনু
মহিনস
মহান
শিব
ঋতুধ্বজ
উগ্ররেতা
ভব
কাল
বামদেব
ধুতব্রত

অনেক গ্রন্থ অনুসারে একাদশ রুদ্র হলেন মানব শরীরের দশ চালিকা শক্তি এবং এক আত্মা। 

বৃহদারন্যক উপনিষদে একাদশ রুদ্র হলেনঃ
প্রাণ(নিঃশ্বাস)
অপান(প্রশ্বাস)
ব্যন
সমান
উদাম
নাগ
কুর্ম্ম
কৃকল
দেবদত্ত
ধনঞ্জয়
আত্মা

#অষ্টবসু:
মহাভারত অনুসারে অষ্টবসু হলেন

ধরা (পৃথিবী)
অনল (অগ্নি)
অনিল (বায়ু)
অহ (ব্যপ্ত)
প্রত্যুষ
প্রভাষ
সোম
ধ্রুব

#দুই_অশ্বিন
 নাসত্য এবং  দস্র।

সুতরাং সর্বমোট (১২+০৮+১১+০২)= ৩৩ প্রকার বা শ্রেণীর দেবতা কিংবা দেবীর পুজো করা হয়, যারা প্রত্যেকেই কোন না কোন শক্তির স্বরুপ বা স্বরুপিনী এবং প্রকৃতিতে সেসব শক্তির কারণেই মানুষের জীবন মসৃন থাকে।

সুতরাং ঈশ্বর, ভগবান এবং দেবতা/দেবী–এক নয়। 

তথ্যসুত্রঃ
১.বৃহদারন্যক উপনিষদ।

kabita

*"पत्नी की फटकार" का महत्व-

पत्नी की फटकार सुनी जब,
तुलसी भागे छोड़ मकान l
राम चरित मानस रच डाला,
जग में बन गए भक्त महान ll

             पत्नी छोड़ भगे थे जो जो,
             वही बने विद्वान महान l
             गौतम बुद्ध महावीर तीर्थंकर,
             पत्नी छोड़ बने भगवान ll

पत्नी छोड़ जो भागे मोदी
हुए आज हैं पंत प्रधान l
अडवाणी ना छोड़ सके तो,
देख अभी तक हैं परेशान ll

             नहीं किया शादी पप्पू ने,
             नहीं सुनी पत्नी की तान l
             इसीलिए फिरता है भटकता,
             बन न सका नेता महान ll

हम भी पत्नी छोड़ न पाए,
इसीलिए तो हैं परेशान l
पत्नी छोड़ बनो सन्यासी,
पाओ मोक्ष और निर्वाण ll


#ব্লগ থেকে টাকা উপার্জন করুন earn many from blog

ব্লগকে বিভিন্ন উপায়ে মনিটাইজ করা যেতে পারে। আপনার ব্লগ থেকে টাকা উপার্জনের জন্য অনলাইন উপার্জন সংক্রান্ত বিভিন্ন মডেল এবং সেরা পদ্ধতিগুলি দেখুন।আপনার যদি কোনও ব্লগ বা সাইট থাকে – বা এইরকম কিছু শুরু করার কথা ভেবে থাকেন – তাহলে জেনে রাখুন যে আপনার কাছে এখনও উপার্জন করার সুবিধা আছে। ব্লগকে বিভিন্ন উপায়ে মনিটাইজ করা যেতে পারে। এই নিবন্ধে অনলাইনে উপার্জন সংক্রান্ত বিভিন্ন মডেল এবং ডিজিটাল কন্টেন্ট মনিটাইজ করার সেরা পদ্ধতিগুলির কথা বলা আছে।প্রাথমিক বিষয় দিয়ে শুরু করুন। মনিটাইজেশন কী? সহজভাবে বলতে গেলে মনিটাইজেশনের অর্থ হল আপনার সাইট থেকে টাকা উপার্জন করা। আপনি নিজের ব্লগে অনলাইন কন্টেন্ট থেকে উপার্জন করলে সেটিকে মনিটাইজেশন বলা হবে।আপনার ব্লগ থেকে টাকা উপার্জন শুরু করার জন্য, এখানে বেশ কিছু অনলাইন ব্যবসায়িক মডেল আছে:  

          বিজ্ঞাপন

  •  অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং
  •  সরাসরি বা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রোডাক্টের অফার
  •  সাবস্ক্রিপশন
  •  কোচিং

কীভাবে আপনি নিজের এবং আপনার ব্লগের জন্য এই কাজগুলি করতে পারেন? মনিটাইজেশনের প্রতিটি মডেলকে খুব ভাল করে বুঝে নেওয়া যাক।

বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে মনিটাইজেশন: টাকা উপার্জনের জন্য আপনার ব্লগে বিজ্ঞাপন দিন

একজন ব্লগের প্রকাশক হিসেবে, আপনার অনলাইন কন্টেন্টে বিজ্ঞাপন যোগ করলে সহজে টাকা পেতে পারবেন। বিজ্ঞাপনদাতারা আপনার অডিয়েন্সের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য পেমেন্ট করতে ইচ্ছুক। ঠিক একইভাবে বেশিমাত্রায় সার্কুলেট হওয়া সংবাদপত্রিকা বিজ্ঞাপনদাতাদের আরও বেশি চার্জ করতে পারে, আপনার সাইট এবং কন্টেন্ট যত বেশি জনপ্রিয় আপনি তত বেশি উপার্জন করতে পারবেন।

আপনার কন্টেন্টের সাথে যেসমস্ত ব্যবসার বিজ্ঞাপন আপনি দেখাতে চান সেগুলির জন্য আপনি বিজ্ঞাপন দেখানোর স্লট অফার করতে পারেন। এটিকে সরাসরি ডিল বলা হয়। আপনার হয়ে বিজ্ঞাপন দেখানোর স্লট বিক্রি করার জন্য Google AdSense-এর মতো বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্কের ব্যবহারও আপনি করতে পারেন।

আপনার ব্লগের নির্দিষ্ট পৃষ্ঠায় উপস্থিত কন্টেন্টের সাথে প্রাসঙ্গিক বিজ্ঞাপন দেখানোর বিষয়ে AdSense সাহায্য করে। যেমন- আপনার ব্লগটি অ্যাডভেঞ্চার ভ্রমণের বিষয়ে থাকলে এবং Rekyavik-এ ভ্রমণ সংক্রান্ত কোনও পোস্ট এইমাত্র আপলোড করে থাকলে, AdSense আপনাকে হয়ত ভ্রমণ সংক্রান্ত বীমা, আইসল্যান্ড বা উষ্ণ পোশাক সম্পর্কে কোনও বিজ্ঞাপন দেখাবে। যেখানে বিজ্ঞাপনটি দেখানো হচ্ছে সেই সাইটের মালিক হিসেবে, কোনও ব্যবহারকারী যখন কোনও বিজ্ঞাপন দেখেন বা যোগাযোগ করেন তখন AdSense আপনাকে পেমেন্ট করে।

অনলাইন বিজ্ঞাপনগুলিকে আপনার ব্লগের কন্টেন্ট এবং পাঠকদের জন্য প্রাসঙ্গিক করে তোলার দক্ষতা সহ, অনেক বিজ্ঞাপনদাতারা আপনার বিজ্ঞাপনের স্লটের জন্য একটি প্রিমিয়াম মূল্য দিতে আগ্রহী।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং: প্রোডাক্টের সুপারিশ করে টাকা উপার্জন করুন

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হল আপনি যখন অন্য কোনও সাইটে বিক্রয়ের জন্য কোনও প্রোডাক্ট বা পরিষেবাতে আপনার কন্টেন্টে কোনও লিঙ্ক অন্তর্ভুক্ত করেন। এটি কীভাবে কাজ করে তা এখানে রয়েছে: যখন কেউ আপনার সাইটে লিঙ্কটি ক্লিক করে, অ্যাফিলিয়েট সাইটে যায় এবং আপনার অনুমোদন করা প্রোডাক্ট কেনার জন্য প্রসেস করা হয়, আপনি বিক্রয়ের উপর কমিশন পান।

প্রোডাক্টের সাজেশনে আগ্রহী এমন নিযুক্ত দর্শক সহ ব্লগের জন্য, এটি একটি কার্যকরী উপার্জনের মডেল হতে পারে। তথ্য সংক্রান্ত, কীভাবে এবং লাইফস্টাইল সংক্রান্ত নিবন্ধগুলি অ্যাফিলিয়েট প্রোডাক্ট প্রচারের জন্য প্রচুর সুযোগ দেয়।

অ্যাডভেঞ্চার ট্রাভেল ব্লগটিকেই আবার উদাহরণ হিসেবে নেওয়া যেতে পারে, ধরুন আপনি সাঁতার কাটার দুর্দান্ত লোকেশন সম্পর্কে পোস্ট করেছেন। গিয়ার সাজেস্ট করতে আপনি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ব্যবহার করতে পারেন – যেমন সুইমসুট, তোয়ালে এবং চশমা - যা আপনি আপনার ভ্রমণের জন্য প্যাক করেছেন। ব্লগের কোনও পাঠক আপনার সাজেস্ট করা সুইমসুট লিঙ্কে ক্লিক করে সেটি কিনলে, ব্লগ থেকে আপনি উপার্জন করবেন।

আপনার দর্শকদের বিশ্বাস বজায় রাখতে, গ্রাহকের সাথে আপনার সম্পর্কে স্বচ্ছতা বজায় রাখার চেষ্টা করুন। অনেক দেশে গ্রাহকের সাথে আপনার সম্পর্ক প্রকাশ করার জন্য আইনত বাধ্যবাধকতা আছে, সুতরাং অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ে যুক্ত হওয়ার আগে আইনি পরামর্শ নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে নিন।   এছাড়াও আপনার ব্লগের খ্যাতি আপনার প্রোডাক্ট বা প্রচার করা পরিষেবার সাথে সম্পর্কযুক্ত, সুতরাং আপনার অ্যাফিলিয়েট পার্টনার বেছে নেওয়ার সময় কোয়ালিটির বিষয়টি মনে রাখুন।

সরাসরি বা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রোডাক্টের অফার: আপনার ব্লগ থেকে টাকা উপার্জন করতে জিনিস বিক্রি করুন

নিজেদের ব্লগ থেকে আয় করার জন্য এখন অনেক ব্লগার অনলাইন স্টোরের মাধ্যমে নিজেদের প্রোডাক্ট বিক্রির জন্য একটি ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম তৈরি করার চেষ্টা করছেন। আপনার প্রোডাক্ট ফিজিক্যাল বা ডিজিটাল হতে পারে। অ্যাডভেঞ্চার ট্রাভেল ব্লগের উদাহরণে, আপনার লোগো প্রদর্শিত টি-শার্ট বা বিদেশী গন্তব্যের জন্য ডিজিটাল গাইডবুক বিক্রি করতে পারেন।

আপনার প্রোডাক্ট ফিজিক্যাল বা ভার্চুয়াল যাই হোক না কেন, পেমেন্ট গ্রহণের জন্য আপনাকে সিস্টেম সেট করতে হবে। ফিজিক্যাল প্রোডাক্ট বিক্রি করার সময় আপনাকে যে বিষয়গুলি মাথায় রাখতে হবে তা হল- স্টক স্টোর করা, শিপিং অর্গানাইজ করা এবং কর ও শুল্ক ম্যানেজ করা। ডিজিটাল প্রোডাক্ট লজিস্টিক্যালি কম জটিল কারণ সেগুলি অনলাইনে ডেলিভার করা যেতে পারে।

সাবস্ক্রিপশন: আয়ের নতুন স্ট্রিম যোগ করার জন্য সাধারণ ফি চার্জ করুন


যদি আপনার ব্লগের কোনও অ্যাক্টিভ কমিউনিটি থাকে যারা আপনার বিষয় সম্পর্কে আরও জানতে আগ্রহী, সেইক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদে উপার্জনের জন্য পেড মেম্বারশিপ বা সাবস্ক্রিপশন মডেল হল আপনার মূল্যবান কন্টেন্ট ব্যবহারের অন্যতম উপায়।

এই ধরনের ব্যবসায়িক মডেলে, পাঠকরা নিয়মিতভাবে, মাসিক বা বার্ষিক ভিত্তিতে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা পেমেন্ট করে। এইভাবে পাঠকদের কাছ থেকে মেম্বারশিপ বা সাবস্ক্রিপশন ফি সংগ্রহ করে, আপনি বার বার আয় করতে পারেন। এই ধরনের অনবরত ক্যাশ ফ্লো আরও স্থিতিশীল, অনুমানযোগ্য এবং সঠিক উপার্জনের স্ট্রিমের সম্ভাবনা অফার করে।

বিনিময়ে, আপনি সাবস্ক্রাইবার বা মেম্বার প্রিমিয়াম কন্টেন্ট, কমিউনিটি এরিয়া, শেখার সংস্থান, ভিডিও বা অতিরিক্ত পরিষেবা এবং টুল সরবরাহ করতে পারেন। আপনার ব্লগের সাথে মানানসই হবে এমন বিভিন্ন ধরনের বেশ কিছু এলিমেন্ট একত্রিত করতে পারেন।

কোচিং: ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে ব্লগকে মনিটাইজ করুন


আপনি ব্লগের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ পরিষেবা অফার করলে অনলাইন কোর্স বা কোচিং প্যাকেজ সেট-আপ করে তাতে চার্জ বসিয়ে টাকা উপার্জন করতে পারেন।

আপনি যখন ভিডিও বা ডাউনলোড করা যাবে এমন ইবুকের মতো স্ব-নির্দেশিত শিক্ষামূলক উপকরণ তৈরি করেন, তখন আপনি আপনার অডিয়েন্সদের মধ্যে যারা মেম্বার তাদের নিজের মতো করে এগিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেন। ব্যক্তিরা আপনার কোর্স করা চালিয়ে গেলে, তাদের অন্যান্য বিষয়ে আগ্রহের সম্পর্কে আপনি জানতে পারেন।

একটি অনলাইন পাঠ্যক্রম ডেভেলপ করতে আগে থেকেই যথেষ্ট সময় এবং সংস্থান প্রয়োজন হতে পারে, সুতরাং এটি কার্যকর করতে আপনার এই বিষয়ের সাথে যুক্ত অডিয়েন্সের দরকার হবে।

আয় বাড়ানোর আর একটি বিকল্প হল লাইভ ভিডিও কোচিং অফার করা এবং আপনি সময় দিচ্ছেন বলে আপনাকে টাকা দেওয়া হবে।

আপনার অফারটি অনলাইন কোর্স বা অন-ডিমান্ড কোচিং যার উপরেই ভিত্তি করে হোক না কেন, আপনি ইমেলের মাধ্যমে বা আপনার ব্লগের মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে কথোপকথন করার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন।

মনে রাখবেন যে, আপনার ব্লগ থেকে টাকা উপার্জন করার বিভিন্ন উপায় আছে। আপনি একটি ব্লগ মনিটাইজেশনের পদ্ধতি ভালভাবে শিখে নিতে পারেন বা আপনার ব্যবসাতে কোনটি সবথেকে ভাল কাজ করে তা জানার জন্য উপার্জনের বিভিন্ন স্ট্রিম ম্যাচ করতে পারেন। অনলাইন মনিটাইজেশনের সম্পর্কে আরও কিছু জানার বিষয়ে আগ্রহ থাকলে

বেদজ্ঞান

 
 

বেদ বিশয়ে বিশেষ জ্ঞান --

 
1- অষ্টাধ্যায়ী পাণিনি
 2- রামায়ণ বাল্মীকি
 3- মহাভারত বেদব্যাস
 4- অর্থনীতি চাণক্য
 5-মহাভাষ্য পতঞ্জলি
 6-সত্সসহসারিকা সূত্র নাগার্জুন
 7-বুদ্ধচরিত অশ্বঘোষ
 8-সৌন্দরানন্দ অশ্বঘোষ
 9- মহাবিদ্যাশাস্ত্র বাসুমিত্র
 10- স্বপ্নবাসবদত্ত ভাসা
 11- কামসূত্র বাৎস্যায়ন
 12-কুমারসম্ভব কালিদাস
 13- অভিজ্ঞানাশকুন্তলম কালিদাস
 14- বিক্রমমূর্বশীয়ান কালিদাস
 15-মেঘদূত কালিদাস
 16- রঘুবংশম কালিদাস
 17- মালবিকাগ্নিমিত্রম কালিদাস
 18- নাটকীয় ভারতমুনি
 19- দেবীচন্দ্রগুপ্তম বিশাখদত্ত
 20-মৃচ্ছকটিকম শূদ্রক
 21- সূর্যসিদ্ধান্ত আর্যভট্ট
 22- বৃহৎচিন্তা বড়মিহির
 23-পঞ্চতন্ত্র।  বিষ্ণু শর্মা
 24- কথাসরিতসাগর সোমদেব
 25- অভিধম্মকোষ বসুবন্ধু
 26- মুদ্রাক্ষ্যা বিশাখাদত্ত
 27-রাবণ বধ।  ভাটিত
 28- কিরাতার্জুনিয়াম ভারভি
 29- দশকুমারচরিতম দণ্ডী
 30- হর্ষচরিত বনভট্ট
 31- কাদম্বরী বনভট্ট
 32- বাসবদত্ত সুবন্ধু
 33-নাগানন্দ হর্ষধ্বন
 34- রত্নাবলী হর্ষবর্ধন
 35-প্রিয়দর্শিকা হর্ষবর্ধন
 36 - মালতীমাধব ভবভূতি
 37- পৃথ্বীরাজ বিজয় জয়নক
 38-কর্পূরমঞ্জরী রাজশেখর
 39- কাব্যমনসা রাজশেখর
 40- নবসহসঙ্ক চরিত পদমগুপ্ত
 অধ্যায় 41
 42 - গল্প মঞ্জরী ক্ষেমেন্দ্র
 43 - নৈষাধাচরিতম শ্রী হর্ষ
 44 - বিক্রমঙ্কদেবচরিত বিলহান
 45-কুমারপালচরিত হেমচন্দ্র
 46-গীতগোবিন্দ জয়দেব
 47-পৃথ্বীরাজরসো চন্দেরবর্দই
 48 - রাজতরঙ্গিনী কলহন
 49 - রসমালা সোমেশ্বর
 50 - শিশুপাল বধ মাঘ
 51 - গডবাহো ভকপতি
 52 - রামচরিত সন্ধ্যাকরানন্দী
 53 - দ্বৈয়াশ্রয় কাব্য হেমচন্দ্র

 বেদ-জ্ঞান:-

.1- বেদ কাকে বলে?
 উত্তর- ঐশ্বরিক জ্ঞানের গ্রন্থকে বেদ বলে।

 Q.2- বেদ-জ্ঞান কে দিয়েছেন?
 উত্তর- ঈশ্বর দিয়েছেন।

 Q.3- ঈশ্বর কখন বেদ-জ্ঞান দিয়েছেন?
 উত্তর- সৃষ্টির আদিতে ঈশ্বর বেদ-জ্ঞান দিয়েছেন।

 Q.4- ঈশ্বর কেন বেদ জ্ঞান দিয়েছেন?
 উত্তর- শুধুমাত্র মানুষের কল্যাণের জন্য।

 Q.5- বেদ কয়টি?
 উত্তর - চারটি।
 1-ঋগ্বেদ
 2-যজুর্বেদ
 3-সামবেদ
 4-অথর্ববেদ

 Q.6- বেদের ব্রাহ্মণ।
 1 - ঋগ্বেদ - ঐতরেয়
 2 - যজুর্বেদ - শতপথ
 3 - সামবেদ - তাণ্ড্য
 4 - অথর্ববেদ - গোপথ

 Q.7- বেদে কয়টি উপবেদ আছে?
 উত্তর - চারটি উপবেদ
     1- ঋগ্বেদ- আয়ুর্বেদ
     2- যজুর্বেদ- ধনুর্বেদ
     3 - সামবেদ - গন্ধর্ববেদ
     4- অথর্ববেদ - অর্থবেদ

 প্রশ্ন 8- বেদের অংশ আছে।
 উত্তর- ছয়টি।
 1 - শিক্ষা
 2 - aeon
 3 - নিরুক্ত
 4 - ব্যাকরণ
 5 - আয়াত
 6 - জ্যোতিষশাস্ত্র
9- ঈশ্বর কোন ঋষিদের বেদের জ্ঞান দান করেছিলেন?
 উত্তর- চার ঋষির কাছে।
          বেদ ঋষি
 1- ঋগ্বেদ- অগ্নি
 2 - যজুর্বেদ - বায়ু
 3 - সামবেদ - আদিত্য
 4 - অথর্ববেদ - অঙ্গিরা

 প্রশ্ন 10- ঈশ্বর কিভাবে ঋষিদের বেদের জ্ঞান দিয়েছেন?
 উত্তর – সমাধি অবস্থায়।

 প্রশ্ন 11- বেদে জ্ঞান কিভাবে আছে?
 উত্তর- সকল সত্য বিদ্যার জ্ঞান-বিজ্ঞান।

 Q.12- বেদের বিষয় কি কি?
 উত্তর - চারটি।
 1- ঋগ্বেদ - জ্ঞান
 2- যজুর্বেদ - কর্ম
 3- সামবেদ - পূজা
 4- অথর্ববেদ - বিজ্ঞান

 Q.13-  ঋগ্বেদে।
 1- বৃত্ত - 10
 2 - অষ্টক - 08
 3 - সূক্ত - 1028
 4 - অনুবাদক - 85
 5 - রিচা - 10589

 যজুর্বেদে।
 1- অধ্যায়- 40
 2- মন্ত্র - 1975

 সামবেদে।
 1- আর্চিক - 06
 2 - অধ্যায় - 06
 3- রিচা - 1875

 অথর্ববেদে।
 1- মামলা - 20
 2- সূক্ত - 731
 3 - মন্ত্র - 5977
          
 Q.14- বেদ পড়ার অধিকার কার আছে?
  উত্তর- বেদ পড়ার অধিকার শুধু মানুষেরই আছে।

 Q.15- বেদে কি মূর্তি পূজার বিধান আছে?
 উত্তর - একেবারে।

 Q.16- বেদে অবতারের কোন প্রমাণ আছে কি?
 উত্তর নাই.
Q.17- সবচেয়ে বড় বেদ কোনটি?
 উত্তর – ঋগ্বেদ।

 Q.18- বেদের উৎপত্তি কবে?
 উত্তর- পরমাত্মা দ্বারা মহাবিশ্বের আদি থেকে বেদের উৎপত্তি।  মানে ১ বিলিয়ন ৯৬ কোটি ৮ লাখ ৪৩ হাজার বছর আগে।

 Q.19- বেদ-জ্ঞানের সহায়ক দর্শন (উপ-অঙ্গ) কয়টি এবং তাদের রচয়িতাদের নাম কী?
 উত্তর-
 1- বিচারপতি দর্শন - গৌতম মুনি।
 2- বৈশেষিক দর্শন- কণাদ মুনি।
 3- যোগদর্শন - পতঞ্জলি মুনি।
 4- মীমাংসা দর্শন - মিথুন মুনি।
 5- সাংখ্য দর্শন - কপিল মুনি।
 6- বেদান্ত দর্শন - ব্যাস মুনি।

 Q.20- শাস্ত্রের বিষয়গুলি কী কী?
 উত্তর- আত্মা, ঈশ্বর, প্রকৃতি, জগতের উৎপত্তি, মুক্তি মানে সকল প্রকার ভৌত ও আধ্যাত্মিক জ্ঞান-বিজ্ঞান ইত্যাদি।

 Q.21- কতটি প্রামাণিক উপনিষদ আছে?
 উত্তর- মাত্র এগারো।

 Q.22- উপনিষদের নাম বল?
 উত্তর-
 01-ইশ (ঈশবাস)
 02-কেন
 03-কাঠ
 04-প্রশ্ন
 05-মুন্ডক
 06-মান্ডু
 07-ঐতরেয়
 08-তৈত্রিয়া
 09-ছান্দোগ্য
 10-বৃহদারণ্যক
 11-শ্বেতাশ্বতর।

 Q.23- উপনিষদের বিষয়গুলি কোথা থেকে নেওয়া হয়েছে?
 উত্তর – বেদ থেকে।
 Q.24- চারটি বর্ণপ্রথা।
 উত্তর-
 1- ব্রাহ্মণ
 2- ক্ষত্রিয়
 3- বৈশ্য
 4- শূদ্র

 Q.25- চার যুগ।
 1- সত্যযুগ - 17,28000 বছর ধরে নামকরণ করা হয়েছে (সত্যুগ)।
 2- ত্রেতাযুগ- 12,96000 বছর ধরে নামকরণ করা হয়েছে (ত্রেতাযুগ)।
 3- দ্বাপরযুগ- 8,64000 বছরের নাম।
 4- কলিযুগ- 4,32000 বছরের নাম।
 এখন পর্যন্ত 5122 বছর কলিযুগ উপভোগ করা হয়েছে।
 4,27024 বছর ভোগ করতে হয়.

 পঞ্চ মহাযজ্ঞ

        1- ব্রহ্মযজ্ঞ
        2- দেবযাগ্য
        3- পিতৃবিদ্যা
        4- বলিবৈশ্বদেবয়াগ্য
        5- অতিথীয়াগ্য
   
 স্বর্গ- যেখানে সুখ আছে।
 নরক - যেখানে দুঃখ আছে।

  ভগবান-শিবের '৩৫' রহস্য!


 ভগবান শিব মানে পার্বতীর স্বামী শঙ্কর যাকে বলা হয় মহাদেব, ভোলেনাথ, আদিনাথ ইত্যাদি।
 
1. আদিনাথ শিব: -* সর্বপ্রথম শিব পৃথিবীতে জীবন প্রচারের চেষ্টা করেছিলেন, তাই তাকে 'আদিদেব'ও বলা হয়।  'আদি' মানে শুরু।  আদিনাথ হওয়ার কারণে তার একটি নাম 'আদিশ'ও রয়েছে।

 * 🔱২।  শিবের অস্ত্র:-* শিবের ধনুক পিনাক, চক্র ভবরেন্দু ও সুদর্শন, অস্ত্র পশুপাত্র ও অস্ত্র ত্রিশূল।  সবগুলোই তার তৈরি।

 * 🔱 ৩.  ভগবান শিবের সাপ:-* যে সাপটি শিবের গলায় জড়িয়ে থাকে তার নাম বাসুকি।  বাসুকির বড় ভাইয়ের নাম অবশিষ্টনাগ।

 * 🔱 ৪.  শিবের সহধর্মিণী:-* শিবের প্রথম স্ত্রী সতী পরের জন্মে পার্বতী রূপে জন্মগ্রহণ করেন এবং তাকে উমা, ঊর্মি, কালী বলা হয়।

 * 🔱৫।  শিবের পুত্র: -* শিবের প্রধান ৬ পুত্র হলেন- গণেশ, কার্তিকেয়, সুকেশ, জলন্ধর, আয়াপ্পা এবং ভূমা।  প্রত্যেকের জন্ম কাহিনী মজার।

 * 🔱6.  শিবের শিষ্য:-* শিবের 7 জন শিষ্য রয়েছে যাদের প্রাথমিক সপ্তর্ষি বলে মনে করা হয়।  এই ঋষিরাই সারা পৃথিবীতে শিবের জ্ঞান প্রচার করেছিলেন, যার কারণে বিভিন্ন ধর্ম ও সংস্কৃতির উদ্ভব হয়েছিল।  শিবই গুরু ও শিষ্যের প্রথা শুরু করেছিলেন।  শিবের শিষ্যরা হলেন- বৃহস্পতি, বিশালাক্ষ, শুক্র, সহস্রাক্ষ, মহেন্দ্র, প্রচেত মনু, ভরদ্বাজ, এর পাশাপাশি অষ্টম গৌরাশিরস মুনিও ছিলেন।
শিবের শিষ্য:-* শিবের 7 জন শিষ্য রয়েছে যাদের প্রাথমিক সপ্তর্ষি বলে মনে করা হয়।  এই ঋষিরাই সারা পৃথিবীতে শিবের জ্ঞান প্রচার করেছিলেন, যার কারণে বিভিন্ন ধর্ম ও সংস্কৃতির উদ্ভব হয়েছিল।  শিবই গুরু ও শিষ্যের প্রথা শুরু করেছিলেন।  শিবের শিষ্যরা হলেন- বৃহস্পতি, বিশালাক্ষ, শুক্র, সহস্রাক্ষ, মহেন্দ্র, প্রচেতাস মনু, ভরদ্বাজ, এর পাশাপাশি অষ্টম গৌরাশিরা মুনিও ছিলেন।

 *🔱7.  শিবের গণ:-* ভৈরব, বীরভদ্র, মণিভদ্র, চণ্ডী, নন্দী, শ্রৃঙ্গী, ভৃগিরিটি, শৈল, গোকর্ণ, ঘন্টকর্ণ, জয় ও বিজয় শিবের গণে বিশিষ্ট।  এ ছাড়া ভ্যাম্পায়ার, রাক্ষস এবং সাপ-সর্প, প্রাণীকেও শিবের অঙ্গ মনে করা হয়।

 *🔱8.  শিব পঞ্চায়েত:-* ভগবান সূর্য, গণপতি, দেবী, রুদ্র ও বিষ্ণুকে শিব পঞ্চায়েত বলা হয়।

 *9।  শিবের দারোয়ান:-* নন্দী, স্কন্দ, রিতি, বৃষ, ভৃঙ্গী, গণেশ, উমা-মহেশ্বর ও মহাকাল।

 *🔱10।  শিব পার্ষদ:-* জয় ও বিজয় যেমন বিষ্ণুর সভাসদ, তেমনি বাণ, রাবণ, চাঁদ, নন্দী, ভৃঙ্গী প্রভৃতি শিবের সভাসদ।
* 🔱 ১১।  শিব সমস্ত ধর্মের কেন্দ্রবিন্দু: -* শিবের পোশাক এমন যে প্রতিটি ধর্মের মানুষ তাদের মধ্যে তাদের প্রতীক খুঁজে পেতে পারে।  মুশরিক, ইয়াজিদি, সাবিয়ান, সুবি, আব্রাহামিক ধর্মে শিবের উপস্থিতির ছাপ স্পষ্টভাবে দেখা যায়।  একটি ঐতিহ্য শিবের শিষ্যদের থেকে শুরু হয়েছিল, যা পরবর্তীতে শৈব, সিদ্ধ, নাথ, দিগম্বর এবং সুফি সম্প্রদায়ে বিভক্ত হয়েছিল।

 * 🔱12।  বৌদ্ধ সাহিত্যের আন্তর্জাতিক মনিষী: - * প্রখ্যাত পন্ডিত অধ্যাপক উপাসক বিশ্বাস করেন যে শঙ্কর বুদ্ধরূপে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।  পালি গ্রন্থে উল্লিখিত ২৭টি বুদ্ধের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাদের মধ্যে বুদ্ধের ৩টি নাম অতি প্রাচীন- তানাঙ্কর, শানঙ্কর ও মেঘাঙ্কর।
 
 * 🔱13।  শিব দেবতা এবং অসুর উভয়ের কাছেই প্রিয়: -* ভগবান শিবকে দেবতাদের সাথে সমস্ত অসুর, রাক্ষস, রাক্ষস, ভ্যাম্পায়ার, গন্ধর্ব, যক্ষ ইত্যাদি দ্বারা পূজা করা হয়।  তিনি রাবণের পাশাপাশি রামকেও বর দেন।  ভস্মাসুর, শুক্রাচার্য প্রভৃতি অসুরকে তিনি বর দিয়েছিলেন।  শিব সকল আদিবাসী, বনবাসী জাতি, বর্ণ, ধর্ম ও সমাজের পরম দেবতা।

 * 🔱14।  শিব প্রতীক:-* যে প্রতীকটিকে বনবাসী থেকে সাধারণ মানুষ সকলেই পূজা করতে পারে, সেই পাথরের পিণ্ড, বাটিয়াকে শিবের প্রতীক হিসেবে ধরা হয়।  এছাড়া রুদ্রাক্ষ ও ত্রিশূলকেও শিবের প্রতীক হিসেবে ধরা হয়।  কিছু লোক ডমরু এবং অর্ধচন্দ্রকে শিবের প্রতীক হিসাবেও বিবেচনা করে, যদিও বেশিরভাগ লোক শিবলিঙ্গের অর্থাৎ শিবের আলোকে পূজা করে।

 * 🔱15।  শিবের গুহা:-* ভস্মাসুর থেকে বাঁচার জন্য শিব তার ত্রিশূল দিয়ে পাহাড়ে একটি গুহা তৈরি করেন এবং তিনি আবার সেই গুহায় লুকিয়ে থাকেন।  সেই গুহাটি জম্মু থেকে 150 কিলোমিটার দূরে ত্রিকুটা পাহাড়ে।  অন্যদিকে, যে গুহাটিতে ভগবান শিব পার্বতীকে জ্ঞানের অমৃত দিয়েছিলেন সেটি 'অমরনাথ গুহা' নামে বিখ্যাত।
 
16. শিবের পায়ের ছাপ: -* শ্রীপাদ- শ্রীলঙ্কার রতন দ্বীপ পর্বতের চূড়ায় অবস্থিত শ্রীপাদ নামে একটি মন্দিরে শিবের পায়ের ছাপ রয়েছে।  এই পায়ের ছাপগুলি 5 ফুট 7 ইঞ্চি লম্বা এবং 2 ফুট 6 ইঞ্চি চওড়া।  এই স্থানের নাম শিভানোলিপদম।  কেউ কেউ একে অ্যাডামস পিক বলে।

 রুদ্র পদম - তামিলনাড়ুর নাগাপট্টিনম জেলার তিরুভেনগাডু এলাকায় শ্রীবেদারণ্যেশ্বরের মন্দিরে 'রুদ্র পদম' নামে শিবের পায়ের ছাপ রয়েছে।  এছাড়াও তিরুভান্নামালাইতে একটি স্থান রয়েছে যেখানে শিবের পদচিহ্ন রয়েছে।

 তেজপুর- আসামের তেজপুরে ব্রহ্মপুত্র নদীর কাছে অবস্থিত রুদ্রপদ মন্দিরে শিবের ডান পায়ের ছাপ রয়েছে।

 জাগেশ্বর- উত্তরাখণ্ডের আলমোড়া থেকে 36 কিলোমিটার দূরে জগেশ্বর মন্দিরের পাহাড় থেকে প্রায় সাড়ে 4 কিলোমিটার দূরে জঙ্গলে ভীমের কাছে শিবের পায়ের ছাপ রয়েছে।  পাণ্ডবদের দর্শন না দেওয়ার জন্য তিনি একটি পা এখানে এবং অন্যটি কৈলাসে রেখেছিলেন।

 রাঁচি - ঝাড়খণ্ডের রাঁচি রেলওয়ে স্টেশন থেকে 7 কিলোমিটার দূরে 'রাঁচি পাহাড়ে' ভগবান শিবের পায়ের ছাপ রয়েছে।  এই জায়গাটিকে বলা হয় 'পাহাড়ি বাবা মন্দির'।

 *🔱17।  শিবের অবতার:-* বীরভদ্র, পিপ্পলাদ, নন্দী, ভৈরব, মহেশ, অশ্বত্থামা, শরভাতরা, গৃহপতি, দূর্বাসা, হনুমান, বৃষভ, যতিনাথ, কৃষ্ণদর্শন, অবধূত, ভিক্ষুভার্য, সুরেশ্বর, কিরাত, সুন্তনার্তক, ব্রহ্মচারী, যশ্বনাথ, যশস্বর আছে হংসরূপ, দ্বিজ, নটেশ্বর প্রমুখ।  বেদে রুদ্রদের উল্লেখ আছে।  রুদ্রদের 11টি বলা হয় – কাপালি, পিঙ্গল, ভীম, বিরূপাক্ষ, বিলোহিত, শাস্ত, অজপদ, অপিরবুধ্যা, শম্ভু, চাঁদ এবং ভব।
 
18. শিবের প্যারাডক্সিকাল পরিবার: -* শিবপুত্র কার্তিকেয়ের বাহন হল ময়ূর, আর বাসুকি হল শিবের গলায় সাপ।  ময়ূর ও সাপ প্রকৃতিগতভাবে শত্রু।  এখানে গণপতির বাহন হল ইঁদুর, আর সাপ হল ইঁদুর ভক্ষক।  পার্বতীর বাহন সিংহ, কিন্তু শিবের বাহন নন্দী ষাঁড়।  এই দ্বন্দ্ব বা আদর্শগত পার্থক্য সত্ত্বেও পরিবারে ঐক্য রয়েছে।

 *🔱 19.* তার বাসস্থান তিব্বতে অবস্থিত কৈলাস পর্বতে।  শিব যেখানে উপবিষ্ট আছেন তার ঠিক নীচে পটল লোক, ভগবান বিষ্ণুর আবাস।  শিবের আসনের উপরে বায়ুমণ্ডল জুড়ে যথাক্রমে স্বর্গ এবং তারপর ব্রহ্মাজীর স্থান।

 * 🔱 20. শিবের ভক্ত: -* ব্রহ্মা, বিষ্ণু এবং সমস্ত দেবতার পাশাপাশি ভগবান রাম এবং কৃষ্ণও শিবের ভক্ত।  হরিবংশ পুরাণ অনুসারে, শিবকে খুশি করার জন্য কৃষ্ণ কৈলাস পর্বতে তপস্যা করেছিলেন।  ভগবান রাম রামেশ্বরমে একটি শিবলিঙ্গ স্থাপন করে তাঁর পূজা করেছিলেন।
 
21. শিব ধ্যান: -* শিবের ধ্যান ও পূজা শিবের ভক্তির জন্য করা হয়।  শিবলিঙ্গে বিল্বপত্র অর্পণ করে, মন্ত্র জপ করা বা শিবলিঙ্গের কাছে ধ্যান করা মোক্ষের পথ নিশ্চিত করে।

 * 🔱 22. শিব মন্ত্র: -* শিবের মাত্র দুটি মন্ত্র আছে, প্রথম- ওম নমঃ শিবায়।  দ্বিতীয় মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র - ওম হরুন জু সাহ।  ওম ভু ভুবাঃ স্বাঃ।  ওম ত্রিম্বকম যজামহে সুগন্ধি সুস্থিবর্ধনম্।  উর্ভারুকমিব বধনমৃত্যুরমুক্ষ্য মামৃত্‌।  স্বাঃ ভুভঃ ভুঃ ওম।  সাহ জু হরুন ওম।  হয়।

 *🔱 23. শিব উপবাস ও উৎসব: -* শিব উপবাস সোমবার, প্রদোষ ও শ্রাবণ মাসে রাখা হয়।  শিবরাত্রি এবং মহাশিবরাত্রি শিবের প্রধান উত্সব।

 * 🔱24।  শিব প্রচারক:-* ভগবান শঙ্করের ঐতিহ্য তাঁর শিষ্য বৃহস্পতি, বিশালাক্ষ (শিব), শুক্র, সহস্রাক্ষ, মহেন্দ্র, প্রচেতাস মনু, ভরদ্বাজ, অগস্ত্য মুনি, গৌরশিরাস মুনি, নন্দী, কার্তিকেয়, ভৈরবনাথ প্রমুখের দ্বারা এগিয়ে নিয়ে যায়।  এ ছাড়া বীরভদ্র, মণিভদ্র, চণ্ডিস, নন্দী, শ্রৃঙ্গী, ভৃগিরিটি, শৈল, গোকর্ণ, ঘন্টকর্ণ, বান, রাবণ, জয় ও বিজয়ও শৈব ধর্মের প্রচার করেছিলেন।  এই ঐতিহ্যের সবচেয়ে বড় নামটি এসেছে আদিগুরু ভগবান দত্তাত্রেয় থেকে।  দত্তাত্রেয়ের পরে, আদি শঙ্করাচার্য, মতসেন্দ্রনাথ এবং গুরু গুরুগোরখনাথের নামগুলি প্রধানভাবে নেওয়া হয়।

 *🔱 25. শিবের মহিমা: -* শিব কালকুট নামক বিষ পান করেছিলেন যা অমৃত মন্থনের সময় বেরিয়েছিল।  শিব ভস্মাসুরের মতো অনেক অসুরকে বর দিয়েছিলেন।  শিব কামদেবকে ভস্মীভূত করেছিলেন।  শিব গণেশ এবং রাজা দক্ষিণের মাথার সাথে যোগ দিয়েছিলেন।  ব্রহ্মার দ্বারা প্রতারিত হলে শিব ব্রহ্মার পঞ্চম মস্তক কেটে দেন।
 
26.শৈব ঐতিহ্য: -* দশনামী, শাক্ত, সিদ্ধ, দিগম্বরা, নাথ, লিঙ্গায়ত, তামিল শৈব, কালামুখ শৈব, কাশ্মীরি শৈব, বীরশৈব, নাগ, লকুলিশ, পাশুপত, কাপালিক, কালাদমন এবং মহেশ্বর সকলেই শৈব ঐতিহ্যের অন্তর্গত।  চন্দ্রবংশী, সূর্যবংশী, অগ্নিবংশী এবং নাগবংশীকেও শিবের ঐতিহ্য থেকে বিবেচনা করা হয়।  শিব হলেন ভারতের অসুর, রাক্ষস এবং উপজাতিদের দেবতা।  শৈব ধর্ম ভারতের আদিবাসীদের ধর্ম।

 *🔱 27. শিবের প্রধান নাম: -* শিবের অনেক নাম রয়েছে যার মধ্যে পুরাণে 108টি নাম উল্লেখ করা হয়েছে তবে এখানে জনপ্রিয় নামগুলি জানেন- মহেশ, নীলকান্ত, মহাদেব, মহাকাল, শঙ্কর, পশুপতিনাথ, গঙ্গাধর, নটরাজ, ত্রিনেত্র, ভোলেনাথ, আদিদেব, আদিনাথ, ত্র্যম্বক, ত্রিলোকেশ, জটাশঙ্কর, জগদীশ, প্রলয়ঙ্কর, বিশ্বনাথ, বিশ্বেশ্বর, হর, শিবশম্ভু, ভূতনাথ ও রুদ্র।

 * 🔱 ২৮. অমরনাথের অমৃত বচন:-* অমরনাথের গুহায় শিব তাঁর অর্ধেক পার্বতীকে যে জ্ঞান দিয়েছিলেন মোক্ষলাভের জন্য, আজ সেই জ্ঞানের বহু শাখা রয়েছে।  এটি জ্ঞান যোগ এবং তন্ত্রের মৌলিক উত্সের অন্তর্ভুক্ত।  'বিজ্ঞান ভৈরব তন্ত্র' এমনই একটি গ্রন্থ, যাতে ভগবান শিব পার্বতীকে বলেছিলেন 112টি ধ্যান সূত্রের সংকলন।

 *🔱 ২৯.শিব গ্রন্থ: -* শিবের সমগ্র শিক্ষা ও দীক্ষা বিজ্ঞান ভৈরব তন্ত্র, শিব পুরাণ এবং শিব সংহিতা সহ বেদ ও উপনিষদে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।  তন্ত্রের অনেক গ্রন্থে তাঁর শিক্ষা বিশদভাবে বর্ণিত হয়েছে।

 *🔱 30.শিবলিঙ্গ:-* বায়ু পুরাণ অনুসারে, যেখানে সমগ্র সৃষ্টি কেয়ামতের সময় নিমগ্ন হয় এবং সৃষ্টির সময় আবার যেটিতে আবির্ভূত হয়, তাকে লিঙ্গ বলা হয়।  এইভাবে বিশ্বের সমগ্র শক্তি লিঙ্গের প্রতীক।  প্রকৃতপক্ষে, এই সমগ্র মহাবিশ্ব একটি বিন্দু-শব্দ রূপ।  বিন্দু হল শক্তি আর নাদ হল শিব।  বিন্দু মানে শক্তি আর নাদ মানে শব্দ।  এই দুটি সমগ্র মহাবিশ্বের ভিত্তি।  এই কারণেই শিবলিঙ্গকে প্রতীক হিসেবে পূজা করা হয়।
 
31. বারোটি জ্যোতির্লিঙ্গ: -* সোমনাথ, মল্লিকার্জুন, মহাকালেশ্বর, ওমকারেশ্বর, বৈদ্যনাথ, ভীমশঙ্কর, রামেশ্বর, নাগেশ্বর, বিশ্বনাথজি, ত্রিম্বকেশ্বর, কেদারনাথ, ঘৃষ্ণেশ্বর।  জ্যোতির্লিঙ্গের উৎপত্তি নিয়ে অনেক বিশ্বাস প্রচলিত আছে।  জ্যোতির্লিঙ্গের অর্থ 'বিস্তৃত ব্রহ্মমলিং' যার অর্থ 'বিস্তৃত আলো'।  যা শিবলিঙ্গের বারোটি ধারা।  শিবপুরাণ অনুসারে, ব্রহ্মা, মায়া, জীব, মন, বুদ্ধি, চিত্ত, অহং, আকাশ, বায়ু, অগ্নি, জল এবং পৃথিবীকে জ্যোতির্লিঙ্গ বা জ্যোতিপিন্ড বলা হয়।
  অন্য একটি বিশ্বাস অনুসারে, শিবপুরাণ অনুসারে, প্রাচীনকালে আকাশ থেকে আলোর দেহ পৃথিবীতে পড়ে এবং কিছুক্ষণের জন্য তা থেকে আলো ছড়িয়ে পড়ে।  এমন অনেক উল্কা আকাশ থেকে পৃথিবীতে পড়েছিল।  ভারতে যে কয়টি মৃতদেহ পড়েছিল তার মধ্যে শুধুমাত্র প্রধান বারোটি মৃতদেহ জ্যোতির্লিঙ্গের অন্তর্ভুক্ত ছিল।

 *🔱 32. শিবের দর্শন:-* যারা শিবের জীবন ও দর্শনকে বাস্তবসম্মতভাবে দেখেন তারাই শিবের ভক্ত সঠিক বুদ্ধিমত্তা এবং বাস্তবতাকে উপলব্ধি করেন, কারণ শিবের দর্শন বলে যে বাস্তবে বাস করুন, বাস করুন। বর্তমান, আপনার প্রবৃত্তির সাথে যুদ্ধ করবেন না, তাদের অপরিচিত হিসাবে দেখুন এবং বাস্তবতার জন্য কল্পনা ব্যবহার করুন।  শিব আইনস্টাইনের আগে বলেছিলেন যে জ্ঞানের চেয়ে কল্পনা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
 
33. শিব এবং শঙ্কর: -* শিবের নাম শঙ্করের সাথে যুক্ত।  লোকে বলে- শিব, শঙ্কর, ভোলেনাথ।  এভাবে অনেকেই অজান্তেই শিব ও শঙ্করকে একই সত্তার দুটি নাম বলে থাকেন।  আসলে উভয়ের মূর্তিই ভিন্ন আকৃতির।  শঙ্করকে সর্বদা তপস্বী রূপে দেখানো হয়।  অনেক জায়গায় শঙ্করকে শিবলিঙ্গে ধ্যানরত দেখানো হয়েছে।  তাই শিব ও শঙ্কর দুটি ভিন্ন সত্তা।  যদিও শঙ্করকেও শিব বলে মনে করা হয়েছে।  মহেশ (নন্দী) এবং মহাকালকে ভগবান শঙ্করের দ্বাররক্ষক বলে মনে করা হয়।  রুদ্র দেবতা শঙ্করের পঞ্চায়েতের সদস্য।

 * 🔱34।  দেবতার ঈশ্বর মহাদেব  অসুরদের সঙ্গে দেবতাদের প্রতিযোগিতা চলত।  এমতাবস্থায় যখনই দেবতাদের উপর প্রবল সংকট দেখা দিত, তখনই সকলে দেবাধিদেব মহাদেবের কাছে যেতেন।  রাক্ষস, অসুর সহ দেবতারাও শিবকে অনেকবার চ্যালেঞ্জ করেছিল, কিন্তু তারা সবাই পরাজিত হয়ে শিবের সামনে মাথা নত করেছিল, তাই শিব হলেন মহাদেব, দেবতাদের ঈশ্বর।  তিনি রাক্ষস, পিশাচ ও ভূতেরও প্রিয় প্রভু।  তিনি রাম এবং রাবণকে বর দেন।

 * 🔱 ৩৫।  প্রতিটি যুগে শিব: -ভগবান শিব প্রতিটি যুগে মানুষকে দর্শন দিয়েছেন।  রামের সময়েও শিব সেখানে ছিলেন।  মহাভারত যুগেও শিব ছিলেন এবং বিক্রমাদিত্যের যুগেও শিবের দর্শনের উল্লেখ আছে।  ভবিষ্য পুরাণ অনুসারে, রাজা হর্ষবর্ধনকেও শিব দর্শন দিয়েছিলেন।
 

এটি পড়ে যদি আপনারা উপকৃত হয়ে থাকেন তাহলে দয়া করে সমস্ত পাঠকদের জন্য লেখাটি শেয়ার করবেন।


অপরাজিতা স্তোত্র-


 এই স্তোত্রটি সকলের পাঠ করা কিম্বা শ্রবন করা উচিৎ  তাহলেই আপনার চতুর্দিক থেকে মঙ্গল হবে এটা পরিক্ষিত একটি স্তোত্র এতে কোন সন্দেহ  নাই।

Geetagayan

 

মনের অবস্থা, স্থিতপ্রজ্ঞ ও ব্রাহ্মীস্থিতিঃ


দুঃখেষ্বনুদ্বিগ্নমনাঃ সুখেষু বিগতস্পৃহঃ।

বীতরাগভয়ক্রোধঃ স্থিতধীর্মুনিরুচ্যতে।।


অর্থাৎ, দুঃখ উপস্থিত হলেও যার মন উদ্ধিগ্ন হয় না, সুখ উপস্থিত হলেও যার একটুও স্পৃহা উৎপন্ন হয় না।যিনি রাগ, ক্রোধ ও ভয় থেকে মুক্ত তিনিই স্থিতপ্রজ্ঞ। 


স্থিতপ্রজ্ঞ মহাপুরুষ তো সেই হয়,যার মন একদম স্থির ও শান্ত থাকে। এই মনের স্থিরতার ফলে মানুষ পরমানন্দ অনুভব করে। কিন্তু মানুষের মন বায়ুর ন্যায় সদা চঞ্চল।এই মন কিছুক্ষণের জন্য একটা বিষয়ের দিকে ধাবিত হওয়ার পর, পরক্ষণেই আবার অন্য বস্তুর দিকে ধাবিত হয়।বস্তুত মনের এই অস্থিরতার কারণেই, মানুষ সুখ-দুঃখ ও সদা তৃষ্ণা অনুভব করে।যার ফলে মানুষ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। তাই এই অস্থির মনকে বশিভূত করা আবশ্যক।


আত্মার সারথি যেমন এই দেহ, তেমনি এই মন দেহের সারথি স্বরূপ। এই মন'ই তো দেহ ও দেহে অবস্থিত ইন্দ্রিয় সকলকে পরিচালিত করে।তাইতো গীতায় ভগবান শ্রীকৃষ্ণ, মনকে ইন্দ্রিয় সকলের শ্রেষ্ঠ বলেছেন। এই মন দেহে অবস্থিত থেকেও অদৃশ্য, কিন্তু দেহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজটিই করে থাকে। এই মনের সাহায্যেই তো মানুষ জন্ম-মৃত্যুর চক্র থেকে মুক্ত হয়ে থাকে।


কিন্তু, দুঃখের বিষয় এই যে,এই মন জীবদের মায়া ও মোহের অন্ধকারে সদা নিমজ্জিত করে রাখে।জীবদের অজ্ঞানতার কারণে মৃত্যু অবধি এই মন নানা দিকে ধাবিত করতে থাকে।কিন্তু, যিনি জ্ঞানী তিনি অবশ্যই মনকে নিজের অধীনে রাখার চেষ্টা করে।এইরকম মহাত্মারা নিজের মন দ্বারা হৃদয়ে অবস্থিত সেই আত্মা ও আত্মার মধ্যে সেই পরমাত্মার প্রত্যক্ষ দর্শন করে থাকেন।


মানুষের মন নিয়ন্ত্রণে না থাকার ফলে, মন সবসময় ইন্দ্রিয় আসক্তিতে মত্তে থাকে।যার ফলস্বরূপ মানুষ জড় বিষয়ের প্রতি সদা আকর্ষিত থাকে।কিন্তু, যার মন নিজ আত্মাতে একদম স্থির হয়ে গিয়েছে,সে মন জীবাত্মার আদেশ পালন করা শুরু করে দেয়।তখন তার কাছে ভোগ্য জড় বিষয়সমূহ বিষস্বরূপ মনে হয়।এই বিষয়ের প্রতি বৈরাগী মন'ই তাকে একসময় পরমাত্মার চরণে নিয়ে যায়।এর অর্থ এই যে-"মনের অধীনে নিজেকে রাখলে এই মন মায়া-মোহের অন্ধকারে মানুষকে ডুবিয়ে রাখবে, যদি এই মনকে নিজের অধীনে রাখা যায়,তবে এই মন মানুষকে মোক্ষের দরজায় নিয়ে যাবে।"


মনকে নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ গীতায় বলেছেন,

অসংশয়ং মহাবাহো মনো দুর্নিগ্রহং চলম্।

অভ্যাসেন তু কৌন্তেয় বৈরাগ্যেণ চ গৃহ্যতে।।


অর্থাৎ, হে মহাবাহো! মন যে দূর্দমনীয় ও চঞ্চল তাতে কোনো সন্দেহ নেই।কিন্তু হে কৌন্তেয়, ক্রমশ অভ্যাস ও বৈরাগ্যের দ্বারা মনকে বশ করা যায়।[৬/৩৫]


অভ্যাস অর্থাৎ, নিরন্তর অভ্যাস।মন এইদিক ঐদিক ঘুরাঘুরি সত্ত্বেও বারবার নিজের আত্মাতে স্থির করতে হবে।যেমন, একটি পাগলা ঘোড়া এইদিক -ঐদিক ছোটাছুটি করে, তেমনিও মন পাগলা ঘোড়ার মতো এইদিক-ঐদিকে ঘুরাঘুরি করে।কিন্তু, কোনো মানুষ যখন ঐ পাগলা ঘোড়ার পিঠে উঠতে চাইলে, প্রথমে মানুষটিকে বারবার আঘাত পেতে হবে।যদি মানুষটি নিষ্ঠাবান হয়, তবে একসময় আঘাত পেতে পেতে মানুষটি ঘোড়ার পিঠে আসীন হয়ে যাবে।একবার পিঠের উপর আসীন হতে পারলেই, ঘোড়াটি তখন চালকের নিয়ন্ত্রণের রশির কারণে চালকের আজ্ঞা পালন করা শুরু করবে।তেমনি মনকে একবার নিয়ন্ত্রণে আনতে পারলেই, সে মন আপনাতেই জীবাত্মার আদেশ পালন করা শুরু  করবে।কিন্তু, অনেক সময় মন নিয়ন্ত্রণে আসার পরও, ইন্দ্রিয়সকলের বিষয়াসক্তির কারণে মন আবার ভূল পথে চলে যেতে পারে।

তাই মনকে বারবার স্মরণ করানো উচিত যে, এই ভোগ,কাম,লালসা সব মিথ্যা।তখন, মানুষের মধ্য থেকে এইসব বিষয়ের প্রতি মোহ নষ্ট হয়ে, বৈরাগ্য উৎপন্ন হবে।আর তখনিই মানুষ মন থেকে সন্ন্যাসী হয়ে উঠে। তখন সেই মহাত্মার মন আত্মনিষ্ঠ হয়ে আত্মাতে স্থির হয়ে যায়।এই আত্মনিষ্ঠার ফলে যোগীর মনে তখন বাসনার লেশমাত্র থাকে না। ফলে যোগীর মনে থাকা সমস্ত কামনা একেবারে মরে যায়।তখন সেই যোগীর মন নিরাসক্ত হয়ে যায়। যার  ফলে যোগীর বুদ্ধিও স্থির হয়ে যায়। দর্শন, শ্রবণ,স্পর্শ, ঘ্রাণ, ভোজন,গমন, নিদ্রা ও নিশ্বাস আদি ক্রিয়া করেও সেই যোগী ব্যক্তি জানেন যে,তিনি কিছুই করছেন না।কারণ জড় ইন্দ্রিয়গুলিই কেবল ইন্দ্রিয়ের বিষয়ে প্রবৃত্ত হচ্ছে। এইরকম মহাপুরুষ ইন্দ্রিয়সকলকে নিরাসক্ত হয়েই উপভোগ করে।এইরকম যোগীদের শাস্ত্র 'নরোত্তম' বলে সম্বোধন করে।


এইরকম স্থিতপ্রজ্ঞতাকে নিষ্কাম কর্মযোগের চরম অবস্থা বুঝায়।এইরকম পুরুষ সমবুদ্ধি অর্থাৎ জয়-পরাজয়, লাভ-হানীর কথা না ভেবে যোগ দ্বারা পরমাত্মায় আস্থা রেখে কাজ করে যায়,একে সমত্বযোগও বলা হয়ে থাকে।সেই মহাপুরুষ জানেন যে, সৃষ্টিকর্তা তার সাথে সবসময় রয়েছেন। তাই তিনি সৃষ্টিকর্তা ব্যতীত অন্য কাউকে ভয় পান না।এইরকম মহাত্মা, না সুখের সময় অতিরিক্ত খুশী হন,না দুঃখে অতিরিক্ত শোক করেন! এইসব মহাত্মাদের ইন্দ্রিয় সকল কচ্ছপের অঙ্গ সমূহের ন্যায় সর্বদা সঙ্কুচিত থাকে।কারণ, ইন্দ্রিয় সকলের বাসনা এতটাই প্রবল থাকে যে,একজন স্থির মানুষের প্রজ্ঞাও হরণ করে নিতে পারে।তাই স্থিতপ্রজ্ঞ মহাপুরুষেরা সবসময় বিষ সমান বিষয়সমূহকে নিগ্রহ করে চলে।কারণ, তাদের কাছে এইসব বিষয়সমূহ রাত্রিস্বরূপ মনে হয়।বায়ুরহিত স্থানে যেমন প্রদীপ স্থির থাকে,তেমনি স্থিতপ্রজ্ঞ ব্যক্তির প্রজ্ঞাও সেইরূপ স্থির থাকে।যার কারণে, এইসব বিষয়সমূহ এইরকম স্থিতপ্রজ্ঞ ব্যক্তির সামনেও যদি থাকে, তাকে সেইসব আকর্ষণ করতে পারে না।যেমনটা নদীর পানি সাগরে এসে বিলীন হয়ে যায়, তেমনি স্থিতপ্রজ্ঞ মহাপুরুষের প্রজ্ঞার সামনে বিষয়সমূহ বিলীন হয়ে যায়।এইরূপ স্থিরপুরুষ সম্পূর্ণরূপে কামনারহিত ও আত্মমননের ফলে, তার চিত্ত ব্রহ্মে নিরন্তর বিচরণ করতে থাকে।এইরূপ নিত্য মননের ফলে স্থিতপ্রজ্ঞ ব্যক্তির মন সর্বদা ব্রহ্মে অবস্থান করে।চিত্তের এইরূপ স্থিতিকেই ব্রাহ্মীস্থিতি বলে,এই অবস্থা'ই হচ্ছে জীবাত্মার মুক্তির অবস্থা। 


অনেক বড় বড় সাধু পুরুষও সৃষ্টিকর্তার কৃপা ব্যতীত এইরকম মানসিক স্তরে উন্নীত হতে পারে না।তাই সর্বদা অনাসক্ত হয়ে সৃষ্টিকর্তায় আস্থা রেখে নিষ্কাম কর্মযোগের অনুষ্ঠান করুন।কারণ, নিষ্কাম কর্মই সহজে আপনাকে স্থির করতে সাহায্য 

মুকাম সাজানো

Q

 সত‍্যনারায়ন পুজায় কিভাবে মুকাম সাজানো হয়  এই ভিডিও তে তাই দেখানো  হয়েছে।

ভালো করে দেখুন  বারবার দেখুন তাহলেই বুঝতে পারবেন।

আপাং গাছের গুনাগুন

দাঁতের যেকোনো সমস‍্যা হলে এই গাছের  শিকড়  সংগ্রহ করে পরিস্কার করে ধুয়ে ছোট ছোট টুকরো করে যে দাঁতের সমস্যা হচ্ছে সেখানে রেখে ধিরে ধিরে  চিবিয়ে সেই যায়গায় রাখুন  একদিনেই ভালো  হয়ে যাবে বহু পরিক্ষিত।।🙏🙏🙏

#সত্যনারায়নব্রতকথা-satyanarayan bratokotha

সত্যনারায়নব্রতকথা - নারায়ণং নমস্কৃত্যং নরচৈব্য নরোত্যমং দেবী সরস্বতীং চৈব ততোজয় মুদিরয়েৎঃ । কথা- সত্যনারায়ণ পদ করিয়া বন্ধন,      ক্রমে ক্রম...